সৌন্দর্য লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
সৌন্দর্য লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

ক্রিম ব্যবহারে ত্বকের বলিরেখা দূর করুন

প্রাকৃতিক নিয়মে বয়স বৃদ্ধি পায়, আর বয়সের সাথে সাথে ত্বকে দেখা দেয় বলিরেখা বা রিংকেল। আর এই বলি রেখা বা বয়সের ছাপ দূর করার জন্য কত কিছুই না আমরা করে থাকি। অ্যাণ্টি রিংকেল ক্রিম, অ্যান্টি রিংকেল ফেসিয়াল, নামী দামী কত ক্রিমই না আমরা ব্যবহার করে থাকি। এই ক্রিমগুলো কি আসলেই কার্যকরী?


কাজ করলেও কতটুকুই বা কার্যকরী? আবার বাজারে ক্রিম ব্যবহারে থাকে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ভয়। বাজারে ক্রিম সাময়িকভাবে ত্বক টানটান করে বলিরেখা দূর করে থাকলেও, দীর্ঘমেয়াদি ফল এর থেকে লাভ করা সম্ভব নয়। অনেক তো ব্যবহার করলেন বাজারের অ্যান্টি রিংকেল ক্রিম। এবার না হয় ঘরে নিজেই তৈরি করে ফেলুন অ্যান্টি রিংকেল ক্রিম। খুব সাধারণ, প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে এই ক্রিম তৈরি করা হয় বিধায় এর কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। আর নিজেই তৈরি করে নিতে পারেন এই ক্রিমটি।

যা যা লাগবে :
১/৪ কাপ বিশুদ্ধ বাদাম তেল
২ টেবিল চামচ নারকেল তেল
২ টেবিল চামচ বিশুদ্ধ মোম
১/২ চা চামচ ভিটামিন ই অয়েল
১ টেবিল চামচ শিয়া বাটার
কয়েক ফোঁটা এসেন্সিয়াল অয়েল (ইচ্ছা)

যেভাবে তৈরি করবেন :
১। একটি পাত্রে সবগুলো উপাদান মিশিয়ে নিন।
২। এবার পাত্রটি ৪ থেকে ৫ ইঞ্চি পর্যন্ত পানি দিয়ে ভরে ফেলুন।
৩। এখন পাত্রটি চুলায় জ্বাল হতে দিন যতক্ষণ পর্যন্ত না সবগুলো উপাদান গলে না যায়, ততক্ষণ জ্বাল দিন।
৪। মাঝে মাঝে এটি নাড়ুন।
৫। সবগুলো উপাদান ভালমত মিশে গেলে এটি চুলা থেকে নামিয়ে ফেলুন।
৬। ক্রিমটি রুম তাপমাত্রায় ঠান্ডা হওয়ার জন্য রাখুন।

যেভাবে ব্যবহার করবেন :
দিনে দুইবার সকাল এবং রাতে ব্যবহার করুন। ব্যবহারের আগে মুখে ধুয়ে নিবেন। ক্রিমটি ঠান্ডা স্থানে সংরক্ষণ করুন। বাদাম তেল, নারকেল তেল, শিয়া বাটার প্রতিটি উপাদান ত্বকের জন্য উপকারী। বাদাম তেল ত্বক নরম কোমল করে তোলে। নারকেল তেলের অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান ত্বকে বয়সের ছাপ পরা রোধ করে। মোম এবং শিয়া বাটার উভয়ই অ্যান্টি ইনফ্লামেটরি উপাদান আছে। যা ত্বকের বলিরেখা পরা প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে থাকে।

 skin care, health care, face care, body care
 সৌজন্যেঃ সাজঘর
আরও পড়ুন

কোমল গোলাপি ঠোঁট পাবার ১১টি সহজ উপায়



কে না চায় একজোড়া সুন্দর ও আকর্ষণীয় ঠোঁট? কেবল একজোড়া স্বাস্থ্যজ্জ্বল ঠোঁটই আপনার হাসিকে করে তুলতে পারে আরো আকর্ষণীয়, চেহারাকে করে তুলতে পারে মোহনীয়। আর তাই জেনে নিন ঠোঁটকে সুন্দর রাখার উপায়গুলো।

সুন্দর গোলাপি ঠোঁট পেতে যা করবেন

  1. একটি পাতলা লেবুর টুকরোর ওপরে খানিকটা চিনি ছিটিয়ে প্রতিদিন ঠোঁটে ঘষুন। চিনি ঠোঁটের মরা চামড়াগুলোকে পরিষ্কার করতে এবং লেবু সূর্যে কালো হয়ে যাওয়া ঠোঁটের চামড়াকে উজ্জবল করতে সাহায্য করে।
  2. মধুর সাথে চিনি এবং কয়েক ফোঁটা অলিভ অয়েল মিশিয়ে ১০ মিনিট ঠোঁটে ঘষুন।
  3. ঠোঁটকে উজ্জ্বল করতে ল্যাক্টিক এ্যাসিড খুব উপকারী। নিয়মিত দুধ খাবার সাথে সাথে খানিকটা দুধ তুলোয় করে ঠোঁটে ঘষে নিন। শুষ্ক চামড়াকে তুলে ফেলার মাধ্যমে দুধ ঠোঁটের কালো হওয়াকেও প্রতিরোধ করে।
  4. গোলাপের পাপড়িও ঠোঁটের গোলাপী ভাব আনতে সাহায্য করে। এজন্য গোলাপের পাপড়ি দুধের মধ্যে রেখে তাতে মধু ও গ্লিসারিন মিশিয়ে নিন। প্রলেপটি ১৫ মিনিট ঠোঁটে মাখুন। এরপর দুধ দিয়ে ঠোঁটকে মুছে নিন। প্রতিদিন এই প্রলেপটির ব্যবহার আপনার ঠোঁটকে করে তুলবে আকর্ষনীয়।
  5. লেবুর ভেতরের এসিড ঠোঁটের শুষ্ক চামড়াকে তুলে ফেলতে সাহায্য করে। তবে লেবুর রসের সাথে খানিকটা চিনি ও মধু মিশিয়ে ঘরে বসেই নিতে পারেন ঠোঁটের পুরোপুরি যত্ন। প্রলেপটি মাখার একঘন্টা পর ধুয়ে নিন।
  6. লেবুর রসের সাথে খানিকটা গ্লিসারিন মিশিয়ে ঠোঁটে মাখুন। কয়েকদিনেই আপনি পাবেন চমত্কার ফলাফল।
  7. বাদামের তেল, মধু ও চিনির মিশ্রন করুন। প্যাকটি আপনার ঠোঁটকে কেবল সুন্দরই করবে না, কোমলতাও বাড়াবে।
  8. ঘুমানোর আগে ঠোঁটে পালং পাতা ঘষে নিন। সাথে রাখতে পারেন জাফরানও। এই দুটি সহজলভ্য উপাদানের নিয়মিত ব্যবহার আপনার শুষ্ক ঠোঁটকে সারিয়ে তুলবে এক নিমিষেই।
  9. কমলালেবু খাবার সময় এর বীচিগুলোকে সংরক্ষণ করুন এবং নিয়মিত ঠোঁটকে এগুলোর দ্বারা পরিষ্কার করুন।
  10. প্রতিদিন টমেটো পেষ্ট করে ঠোঁটে মাখুন। আপনার ঠোঁট হবে উজ্জ্বল।
  11. শশার রসও ঠোঁটের কালো হওয়কে প্রতিরোধ করে। ফলাফল পেতে প্রতিদিন অন্তত ৫ মিনিট শসার রস ঠোঁটে ঘষুন। 
মনে রাখবেনঃ
  1. ধুমপান ঠোঁটের জন্যে ক্ষতিকর। তাই ধুমপান থেকে বিরত থাকুন।
  2. রাতে ঘুমাতে যাবার আগে লিপস্টিক তুলে ফেলতে ভুলবেননা।
  3. জিহ্বা দিয়ে অবিরত ঠোঁট ভেজানো বন্ধ করুন। এতে সাময়িক আরাম মিললেও আসলে ঠোঁটের সৌন্দর্য হানি হয়। বদলে ব্যবহার করুন লিপজেল।
  4. ফাস্টফুডের পরিবর্তে শাক-সব্জী খাওয়ার পরিমাণ বাড়ান।
  5. চা এবং কফির পরিবর্তে পানি খাবার পরিমাণ বাড়ান। প্রচুর পরিমাণে পানি আপনার ঠোঁটকে রাখতে পারে সুস্থ ও স্বাভাবিক সৌন্দর্যময়।
আরও পড়ুন

প্রতিদিন ১০ মিনিটের যত্নে গায়ের রং ফর্সা করুন (ভিডিও সহ)

সবাই ভাবেন আরেকটু যদি ফর্সা এবং সুন্দরী হতাম। কতনা ভাল হত? এই গায়ের রং ফর্সা করার জন্য আমরা কত কিছুই না করে থাকি। বিউটি পার্লারের স্কিন পলিশ বা ফেয়ার পলিশ নামক ব্যয় বহুল বিউটি ট্রিটমেনট, কত কসমেটিক্সের ব্যবহার আরও কত কি! কিন্তু এগুলো যে কত ক্ষতিকর তা কি আমরা জানি? না জেনেই অনেকেই এই কাজগুলো করছেন। তাহলে কি কোনভাবেই গায়ের রঙ ফর্সা করা যাবে না? অবশ্যই যাবে। আর সেই উপায়টি হল ঘরোয়া পদ্ধতিতে রঙ ফর্সা করা। আসুন দেখে নিই দ্রুত গায়ের রং ফর্সা করার উপায়টি।

যা যা লাগবেঃ
  • ১/২ টেবিল চামচ টকদই
  • ১ টেবিলচামচ শসার পেষ্ট
  • ১ টেবিলচামচ গুঁড়া দুধ

যা যা করবেনঃ
  • প্রথমে মুখটি ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
  • তোয়ালে দিয়ে মুখ মুছে নিন।
  • এরপর টক দই, শসার পেষ্ট, গুঁড়া দুধ মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে ফেলুন।
  • প্যাকটি ভাল করে মুখে লাগান। শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।
  • শুকিয়ে গেলে কসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
এখন আয়নায় নিজের মুখটা দেখুন। দেখবেন বেশ উজ্জ্বল দেখাচ্ছে। নিয়মিত ব্যবহারে প্রাকৃতিকভাবে আপনার গায়ের রং আগের চেয়ে অনেক বেশি উজ্জ্বল হয়ে যাবে।

কীভাবে কাজ করেঃ
টক দই রোদে পোড়া দাগ দূর করে থাকে। এতে ভিটামিন সি, জিঙ্ক, ক্যালসিয়াম আছে যা ত্বকের রং ভিতর থেকে ফর্সা করে। এটি ত্বকে ময়েশ্চারাইজ ও এক্সফোলিয়েট করে থাকে। এছাড়া বলিরেখা দূর করতে টক দই এর জুড়ি নেই।
শসার পেষ্ট ত্বককে ঠান্ডা অনুভূতি দিয়ে থাকে। ত্বকের কালো দাগ, চোখের নিচের দাগও দূর করে থাকে শসা। শসা ত্বকের খুব ভাল টোনার হিসেবে কাজ করে ।
গুঁড়ো দুধে পানি আছে যা ত্বকের পানির পরিমাণ ঠিক রাখে। গুঁড়া দুধ ত্বকের দাগ দূর করে ত্বককে উজ্জ্বল ও মসৃণ করে থাকে।

প্যাকটি বানানোর ভিডিওটা দেখে নিন

আরও পড়ুন

কোমল ও মসৃণ হাত!

হাত আমাদের শরীরের সবছেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। প্রতিদিন আমাদের যেকনো কাজে সবচেয়ে বেশী ব্যাবহার হয় হাতের।  মেয়েদের প্রধানত রান্না-বান্না ও গৃহস্থালি কাজ বেশি করতে হয়। হাতই সেখানে ব্যবহৃত হয় বেশি। তরকারি ও তেল-মশলার দাগ প্রায় সময়ই হাতে লাগে।  এছাড়া বাইরের রোদ, ধুলাবালির কারণে হাতের রঙ কালো হয়ে যায় এবং তা মসৃণতা হারায়। সামান্য কিছু নিয়ম পালন করলেই তার মসৃণতা আবার ফিরিয়ে আনতে পারি।
প্রতিদিন অন্তত ৪ থেকে ৫ বার  হাত পরিস্কার করা উচিত।  হাতে সাবান লাগানোর পর মশ্চারাইজার বা লোশন ব্যাবহার করুন। হাতকে শুস্ক রাখার চেস্টা করুন।

১ টেবিল চামচ গুড়োঁ দুধ, ১ টেবিল চামচ মধু, ১ টেবিল চামচ লেবুর রস ভাল ভাবে মিশিয়ে হাত পায়ে ১০-১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। তারপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে হাত নরম ও মসৃণ হয়।
রোদ এ বের হওয়ার আগে অবশ্যই সম্পূর্ণ হাতে সানস্কিন লোশন ব্যাবহার করা উচিত। এতে সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মি থেকে হাতের ত্বককে রক্ষা করবে।
গোসলের আগে অলিভ অয়েল ও বাদাম তেল হাতে ভালো ভাবে মালিশ করে নিতে পারেন। এতে হাত ভালো থাকবে। গোসল শেষে কোনো হ্যান্ড লোশন কিংবা একটু গ্লিসারিন সমপরিমাণ পানির সাথে মিশিয়ে হাতে মেখে নিতে পারেন। অনেকের কনুইয়ে কালো ছাপ পড়ে। সে ক্ষেত্রে প্রতিদিন এক টুকরো লেবু নিয়ে ঘষে নিলে দাগ উঠে যাবে।
এক চা চামচ লেবুর রস, এক চা চামচ শশার রসের সাথে এক চিমটি হলুদের গুঁড়ো মিশিয়ে একটি পেস্ট বানিয়ে হাতে লাগিয়ে নিন। এরপর এটি শুকিয়ে গেলে ভালো করে পানি দিয়ে হাত ধুয়ে নিন। এতে হাতের কালো দাগ দূর হয় এবং হাত কোমল হয়।
দুই চামুচ মাখন অথবা টক দই এর সাথে এক চামুচ চিনি মিশিয়ে ভালভাবে ফেটে নিন। এবার এই পেষ্ট টা দিয়ে ভালভাবে দুই হাত কনুই পর্যন্ত মাস্যাজ করুন। ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে হাতের চামড়া অনেক নরম হয়।
এই প্যাকটি শুষ্ক ও স্বাভাবিক ত্বকের জন্য ভীষণ উপকারী। সম পরিমাণ লেবুর রস আর মধু মিশিয়ে হাতে পায়ে লাগান। কিছুক্ষণ পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
কমলার খোসা শুকিয়ে সেটা গুঁড়ো করে কাঁচা দুধের সাথে মিশিয়ে হাতে লাগালে অনেক উপকার পাওয়া যায়।
আরও পড়ুন

যেভাবে নখ সুন্দর রাখবেন

আপনার শরীরে অন্ন অঙ্গ পতঙ্গের মত নখের যত্ন নেওয়া খুব জরুরি, কেননা নখ যদি অসুন্দর হয় তাহলে আপনাকে দেখতে খারাপ লাগবে। আমরা যদি একটু নিজের প্রতি যত্নশীল হই তাহলে আমরা খুব সহজেই আমাদের নখের যত্ন নিতে পারি। আমাদের অসতর্কের ফলে অনেক সময় নখের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের ময়লা জমে থাকে যার ফলে আমরা এই হাত মুখে দেই এবং আমরা বিভিন্ন সময় অসুস্ত হয়ে পড়ি। নখের যত্ন নিতে হলে বেশি কিছু করতে হবে না শুধু একটূ নিয়ম মেনে চললেই হবে এর ফলে আমাদের নখ অন্ন সবার থেকে অনেক সুন্দর দেখাবে।
 প্রথমে সুন্দর ভাবে আপনি আপনার নখ পরিষ্কার করবেন। একটু সময় নিয়ে আপনি আপনার নখ ভাল ভাবে ধুবেন। গরম পানি দিয়ে আপনার আঙ্গুল পরিষ্কার করবেন সাথে অবশ্যই নরম ব্রাশ ব্যাবহার করবেন। এর ফলে আপনার হাতের ময়লাগুলো সুন্দর ভাবে উঠে আসবে। প্রতিদিন যদি মানিকেউর করতে পারেন তাহলে আপনার হাতের ময়লা চামড়া গুলো উঠে আসবে। সব সময় আপনার হাত শুষ্ক রাখবেন। আপনার হাত যদি ভিজা থাকে তাহলে আপনার হাতে বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া ঢুকতে পারে এর ফলে আপনি অসুস্ত হতে পারেন। সব সময় আপনার হাত নরম তয়লা অথবা রুমাল দিয়ে মুছবেন।
আপনি যখন আপনার হাত দিয়ে কাপড় ধোয়া, গাড়ি মুছা, ঘর মুছা এই সব কাজ করবেন তখন অবশ্যই গ্লাবস ব্যাবহার করবেন। এর ফলে আপনার হাত বিভিন্ন কেমিক্যাল থেকে সুরক্ষা থাকবে। এটা গুরত্ত্ব পূর্ণ যে আপনার হাতের নখ অবশ্যই নেইল কাটার দিয়ে কেটে ট্রিম করে ফেলবেন। কক্ষনো আপনার নখ উল্টাপাল্টা ভাবে ট্রিম করবেন না এর ফলে আপনার নখ নষ্ট হয়ে যেতে পারবে। সব সময় সুন্দর করে নখ কেটে তারপর ভালভাবে ট্রিম করবেন যাতে শেপ নষ্ট না হয়। নেইল কাটার দিয়ে আস্তে আস্তে করে নখ কাটবেন।
 ভাল মইসযারাইযার দিবেন যাতে আপনার নখ শুষ্ক না থাকে। আপনি যখন আপনার হাতে লোশান্‌ অথবা মইসযারাইযার দিবেন খেয়াল রাখবেন যাতে করে নখে ভালভাবে লাগে। অলিভ অয়েল ভাল মইসযারাইযার আপনি ঘুমাতে যাওয়ার আগে এতা ব্যাবহার করতে পারেন। এটা আপনার নখকে অনেক ভাল রাখবে। একটু সময় নিয়ে মাসায করবেন। এই মাসায আপনার রক্ত চলাচল করতে সাহায্য করবে এবং আপনার নখকে কঠিন, সাস্থবান করতে সহযোগিতা করবে। আপনি অলিভ অয়েল দিয়ে মাসায করতে পারেন সপ্তাহে একবার। নরম নখগুলো শক্ত করার জন্য আপনি নেইল হার্ডনার ব্যাবহার করতে পারেন এর ফলে নরম নখগুলো শক্ত হয়ে যেতে পারবে। তারপর পানি লাগলেও নখ সহজেই ভাঙবে না। তাছাড়া আপনি স্বাস্থ্যকর খাবার এবং বালান্সড ডায়েট এর মাধ্যমে আপনি আপনার নখের যত্ন নিতে পারেন। স্বাস্থ্যকর নখের জন্য ক্যালসিয়াম খাবার অনেক প্রয়োজন । নখ ঠিক রাখতে হলে আপনাকে ভিটামিন এ, সি , জিংক এগুলো মানতে হবে।
আর আপনাকে নখ ঠিক রাখতে হলে বোতল অথবা ক্যান নখ দিয়ে খোলা যাবেনা। ভালভাবে মেনিকিওর করতে হবে আবার বেশি মেনিকিওর করতে আপনা নখ নরম হয়ে যেতে পারে দাঁত দিয়ে কক্ষনও নখ কাটবেন না এর ফলে নখ নষ্ট হয়ে যেতে পারে। ভেজা নখ কখনও কাটবেন না কারন এর জন্য নখ ভেঙ্গে যেতে পারে। কখনও বেশি গর্ত করে নখ কাটবেন না এর ফলে আপনার নখ অসুন্দর দেখাবে। এইভাবে আপনি আপনার নখের যত্ন  নিতে পারেন।
আরও পড়ুন

ত্বক উজ্জ্বল ও পরিষ্কার রাখার উপায়!!

মেয়েরা সব সময়ই চায় সবাই তার দিকে মুগ্ধ দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকুক। এজন্য তারা ত্বকের যত্নে যথেষ্ট সচেতন থাকে। কিন্তু এ সচেতনতা যখন তাদের কোন উপকারে না আসে তখন তাদেরকে মানসিকভাবে ভেঙে পড়তে দেখা যায়। আমাদের আজকের আয়োজনে আপনার জন্য থাকছে কয়েকটি ন্যাচারাল বিউটি টিপস, যা অনুসরণে আপনার ত্বক হয়ে উঠবে কোমল, স্নিগ্ধ এবং উজ্জ্বল।

টিপস ১
ত্বক উজ্জ্বল এবং ফর্সা করার জন্য লেবুর রস ও জৈব ঘাস এক সাথে মিশ্রণ করে নিয়ে এটা আপনার মুখে এবং ঘাড়ে ১০ মিনিট লাগিয়ে রাখুন এবং ধুয়ে ফেলুন। এটা প্রয়োগে আপনার মুখের ব্রণ এবং কালো দাগ দূর হবে এবং ত্বক পরিষ্কার হবে।
টিপস ২
প্রতিদিন কমপক্ষে ২ লিটার বিশুদ্ধ পানি পান করুন। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পানে ত্বকের শুষ্ক ভাব দূর হয় এবং ত্বক হয়ে উঠে কোমল।
টিপস ৩
মুখে যদি ব্রণ থাকে তাহলে চা গাছের তেল তুলার সাহায্যে ব্রণের উপরে কয়েক ঘণ্টা পরপর প্রয়োগ করতে থাকুন। প্রতি রাতে ঘুমাতে যাওয়ার পূর্বে ভিটামিন ই তেল আক্রান্ত স্থানে ১ ঘণ্টার জন্য প্রয়োগ করুন।
টিপস ৪
অতি দ্রুত ত্বকের গোলাপি আভা ফিরিয়ে আনতে অলিভ, কোকোনাট এবং জুজুবা তেল কয়েক ফোঁটা আপনার গালে এবং ভ্রু এর হাড়ে ধীরে ধীরে প্রয়োগ করুন।
টিপস ৫
ভাল ঘুম ত্বকের জন্য উপকারী। তাই ত্বকের যত্নে অবশ্যই সিল্ক এর বালিশ ব্যবহার করুন। এতে আপনার ঘুম পরিষ্কার হবে এবং আপনার ত্বক প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে।
টিপস ৬
ত্বককে মসৃণ ও কোমল রাখতে সামুদ্রিক কড মাছের যকৃত দ্বারা তৈরি তেল সম্পূরক উপাদান হিসেবে ব্যবহার করুন। এক্ষেত্রে লেবুর রস এবং কড লিভার তেল এর মিশ্রণ তৈরি করে নিয়ে শরীরে প্রয়োগ করতে পারেন।
টিপস ৭
সবুজ শাকসবজি ত্বকের জন্য একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক উপাদান। এটা আপনি রান্না করে অথবা রস বানিয়ে খেতে পারেন। যদি রস বানিয়ে খেতে চান তাহলে প্রতিদিন এক কাপ করে নিয়মিত খাবেন। এটা আপনার ত্বকের বর্ণ উজ্জ্বল রাখবে এবং আপনার পরিপাকতন্ত্র সচল রাখবে।
আরও পড়ুন

গ্রীষ্মের দাবদাহে চোখের যত্ন!

বাংলাদেশে অন্যান্য আবহাওয়ার তুলনায় গ্রীষ্মকাল খানিকটা বৈচিত্র্য নিয়ে আবির্ভূত হয়। চারিদিকে ধুলা ময়লা, সূর্যের অতিরিক্ত তাপ ও সূর্যালোক এ আবহাওয়ার চিরায়ত বৈশিষ্ট্য। সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মি চোখের রেটিনার জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকারক। কথায় আছে, চোখ মনের কথা বলে। চোখের চারপাশে কালো দাগ থাকলে কথা আর কাজে মিল খুঁজে পাওয়া কষ্টসাধ্য হয়ে পড়বে। চোখ আপনার সৌন্দর্যের প্রতীক। এ ব্যপারে আপনাকে অবশ্যই সচেতন হতে হবে। নিচে চোখের যত্নের কিছু টিপস দেয়া হলঃ
১- সানগ্লাস ব্যবহার করুন
গ্রীষ্মকালে দিনের বেলা ঘরের বাইরে বের হলে চোখে সানগ্লাস পরিধান করুন। এটা আপনার চোখের লেন্স কে সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মি থেকে রক্ষা করবে। এছাড়াও রাস্তার ধুলাবালি থেকে চোখের সুরক্ষা নিশ্চিত করবে।

২- নিয়মিত চোখের চেকাপ করিয়ে নিন
শরীরের অন্যান্য অংশের চেকাপ এর থেকে নিয়মিত চোখের চেকাপ করা অত্যন্ত জরুরি। মহিলাদের মধ্যে যেসব সমস্যাগুলো খুব বেশি পরিলক্ষিত হয় সেগুলো হচ্ছে- চোখ শুকিয়ে যাওয়া, গ্লুকোমা এবং রেতিনাপ্যাথি। আপনার বয়স যদি ৩০ এর কাছাকাছি হয় তাহলে এখুনি একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এর নিকট যান এবং প্রয়োজনীয় চেকাপগুলো সেরে নিন।
৩- ভারী কাজের সময় আরও বেশি যত্নবান হন
ঘরের গৃহিণী হিসেবে আপনাকে অনেক ভারী কাজ করতে হয়। পরিষ্কারক এর কাজে ব্যবহৃত রাসায়নিক পদার্থ অত্যন্ত সাবধানে ব্যবহার করুন যাতে এগুলো আপনার চোখে পবেশ না করে।
৪- পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করুন
চোখের সৌন্দর্য ধরে রাখতে হলে অবশ্যই ভিটামিন সমৃদ্ধ পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। তাছাড়াও প্রচুর পরিমাণে সবুজ শাক সবজি খেতে হবে। এটা আপনার চোখের দৃষ্টিশক্তি পরিষ্কার রাখবে।
৫- প্রসাধনী সামগ্রী ব্যবহারের পূর্বে ভাল ভাবে দেখে নিন
আপনারা যারা সাজগোজ করতে ভালবাসেন তাদের জন্য প্রসাধনী সামগ্রী বিরাট এক আশীর্বাদ। কিন্তু এগুলো ব্যবহার করার পূর্বে অবশ্যই মেয়াদ আছে কিনা এটা দেখে নিন।
৬- গর্ভাবস্থায় চোখের যত্ন নিন
শতকরা ৫০ জন মহিলা গর্ভাবস্থায় ব্লাড সার্কুলেশন ও হরমোনের পরিবর্তনের কারণে চোখের সমস্যার সম্মুখীন হয়। তাই এ সময়টাতে চোখের প্রতি আরও যত্নবান হওয়া উচিৎ।
৭- কম্পিউটারে বিরতিহীন কাজ করা থেকে বিরত থাকুন
কম্পিউটারে কাজ করার ফলে চোখের চারপাশ কালো হয়ে যায়, চোখের জ্যোতি কমে আসে। তাই, একটানা কাজ না করে খানিকক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে কাজ করলে চোখের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে।
৮- ঘুমানোর পূর্বে মেকআপ মুছে ফেলুন
চোখ শরীরের সব থেকে সংবেদনশীল একটি অংশ। তাই ভারী মেকআপ নিলে ঘুমানোর পূর্বে সেটা অবশ্যই অতি যত্ন সহকারে মুছে ফেলুন।
আরও পড়ুন

শীতের শুরুতে ছেলেদের ত্বক এবং চুলের সমস্যা এবং সমাধান!!

ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে শীত ও আবার ঘুরে চলে এল। আর এর সাথে সাথেই শুরু হয়ে যায় ত্বক ও চুলের যত সমস্যা। অনেকেই মনে করেন ছেলেদের রূপচর্চার কোনো প্রয়োজন নেই। কিন্তু শীতের শুরুতে তাদের ত্বকেরও অনেক সমস্যা শুরু হয়। চুল ভাঙ্গা, রুক্ষ ও চিটচিটে হয়ে যাওয়া, র‍্যাশ, ত্বকের শুষ্কতা, ঠোঁট ফাটা, পায়ের গোড়ালী ফাটা আরও কত কি। সাধারণত হঠাৎ করে ঋতু পরিবর্তনের সময় ত্বকের সহনশীলতা বদলে যায় ফলে এই সব সমস্যাগুলো হয়ে থাকে। তাই আজ আমরা এই শীতে ছেলেদের ত্বকের ও চুলের কিছু সাধারন সমস্যা নিয়ে কথা বলব এবং এ থেকে মুক্তির উপায় আলোচনা করব।
শীতে আপনার ত্বকের সবচেয়ে বড় একটি সমস্যা হচ্ছে শুষ্কতা। মুখ ধোয়ার পরে তো এটি এত টানটান হয়ে থাকে যা খুবই আস্বস্থিকর। ক্রিম লাগানোর কিছুক্ষন পর্যন্ত ভালো থাকলেও কিছুক্ষন পর অতিরিক্ত তেল চিটচিটে হয়ে যায়। ফলে বারবার মুখ ধুতে হয়। তাই এ সময় এর চাই একটু অতিরিক্ত যত্ন। ত্বকের শুষ্কতা কমাতে প্রতিদিন সকালে ও রাতে মশ্চারাইজার যুক্ত ক্রীম ব্যাবহার করুন। এছাড়া রাতে ঘুমানোর আগে ১/৪ কাপ দুধ এ ১ চামুচ মধু ও ১ চামুচ এলোভেরা জেল মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে ২০ মিনিট রেখে দিন। ২০ মিনিট পর কুসুম গরম পানিতে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এতে করে আপনার ত্বকের শুষ্কতা তো কমবেই তার সাথে আপনার মুখ হয়ে উঠবে আরো কোমল ও উজ্জ্বল।

শীত কালে অনেকেরই চুল রুক্ষ হয়ে যায় এবং চুলে এক ধরনের চিটচিটে ভাব চলে আসে। এর ফলে অনেক সময় চুলের আগা ফেটে যায়। তাই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে শীতের রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে চুলে নারিকেল তেল বা অলিভ অয়েল গরম করে ম্যাসাজ করে নিতে পারেন। একটি স্টীলের বাটিতে নারিকেল তেল অথবা অলিভ অয়েল নিয়ে নিন। এবার একটা কাচা আমলকী কেটে এর সাথে মিশিয়ে নিন। এবার এটাকে চুলার উপর একটা কাপড় দিয়ে ধরে কিছুক্ষন গরম করে নিন। কিছুক্ষন রেখে গিয়ে কুসুম গরম থাকতে চুলের আগায় ও গোড়ায় ভালো করে আঙ্গুল দিয়ে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে তেল ম্যাসাজ নিন। মনে রাখবেন কখনোই খুব গরম তেল চুলে লাগাবেন না। এতে চুল পরে যেতের পারে। সারা রাত চুলে তেলের উপস্থিতিতে চুলের রুক্ষ ভাব কেটে যাবে এবং চুল হয়ে উঠবে ঝলমলে উজ্জ্বল।
শীতে ত্বকের আরেকটা সমস্যা হচ্ছে র‍্যাশ। অনেক সময় শরীরে লাল, ছোট ছোট ফুসকুনির মত হয়ে থাকে। এগুলো সাধারণত শীতকালে ব্যাক্টেরিয়ার আক্রমন ও উলের পোশাক পরার কারনে হয়ে থাকে। এগুলো শরীরে চুলকানি ও অস্বস্থিকর অবস্থা তৈরী করে। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে প্রতিদিন গোসলের পানিটাকে একটু ফুটিয়ে হালকা গরম পানি দিয়েই গোসল করুন। এছাড়া পানির ব্যাক্টেরিয়া দূর করার জন্য এন্টিসেপ্টিক জাতীয় কোনো লিকুইড মিশিয়ে নিতে পারেন। সবসময় উষ্ণ থাকার চেষ্টা করুন। উলের কাপড় পরার সময় অবশ্যই তার নিচে সুতি অথবা অন্য পাতলা এবং আরামদায়ক কাপড়ের কিছু পরে নিবেন।
শীতের দিনে আরেকটা কমন সমস্যা হচ্ছে পায়ের গোড়ালী ফেটে যাওয়া। এ থেকে মুক্তি পেতে প্রতিদিন ঘুমানোর আগে অবশ্যই পায়ে পেট্রোলিয়াম জেলী লাগিয়ে নিতে পারেন। এছাড়া প্রতিদিন গোসলের সময় শক্ত কিছু দিয়ে পায়ের গোড়ালীটা একটু ঘষে নিতে পারেন। এতে মৃত কোষগুলো বের হয়ে যাবে। এছাড়া নিয়মিত মশ্চারাইজার যুক্ত লোশন ব্যাবহার করুন। এতে করে হাত পায়ের খসখসে ভাব থাকে না।
আরও পড়ুন