ইন্টারনেট লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ইন্টারনেট লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

Domain (ডোমেইন) কেনার আগে যে বিষয় গুলো জানা প্রয়োজন


ডোমেইন কি জানতে এই পোষ্টটি দেখুন ডোমেইন কি?
আসসালামু আলাইকুম, কেমন আছেন সবাই? আশা করি ভালো আছেন? আমিও আপনাদের দোয়াতে ভালো আছি, আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করবো আপনি যদি কোথাও থেকে ডোমেইন কিনতে চান তাহলে Domain কেনার আগে যে সব বিষয় ভেবে দেখবেন। প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তিগত কারনে ওয়েব সাইটের প্রয়োজন হয়। না বুঝে Domain ক্রয় করার ফলে আপনি পরর্বতি সময়ে আপনার প্রয়োজন অনুসারে ব্যবহার করতে পারেন  না ফলে অর্থও সময় দুই নষ্ট হয়।তাই Domain ক্রয় করার আগে ভালোভাবে জেনে নিবেন ।
এবার জেনে নিন নিজস্ব বা টাকার বিনিময়ে ডোমেইন হোষ্টিং সংগ্রহের পূর্বে অবশ্যই অনুসরনীয় ১৬টি সাবধানতা।

  1. ডোমেইন হচ্ছে আপনার সাইটের পরিচয় অতএব সবদিক ভেবে চিন্তে সুন্দর একটি নাম সিলেক্ট করুন। এসইও নির্ভর কিছু করতে চাইলে কিওয়ার্ডকে গুরুত্ব দিয়ে নাম বাছাই করুন।
  2. আপনি যে নামটি বাছাই করেছেন সেটি ফাঁকা আছে কিনা এখান থেকে দেখে নিন। কেননা একটি ডোমেইন নেইম সমগ্র বিশ্বে একজনই নিতে পারবে।
  3. আপনি যে প্রতিষ্ঠান থেকে ডোমেইনটি কিনবেন তাদের সম্পর্কে ভালভাবে জেনে নিন। কেননা ডোমেইন কিনে প্রতারিত হয়েছেন এমন ঘটনা এখন আর বিরল নয়।
  4. ডোমেইন এর দাম একটা চিন্তার বিষয়। খুব কম হলেও যেমন সন্দেহপূর্ন তেমনি অনেক চড়া দামে সাধারন ডোমেইন কেনাটাও এক ধরনের বোকামি। বর্তমানে ডোমেইনের চলমান মূল্য হচ্ছে ১০-১১ ডলার বা বাংলাদেশী ৮০০-৯০০ টাকা।
  5. ডোমেইন কেনার সময় রেজিষ্ট্রেশন যেন আপনার নাম, ঠিকানা দিয়ে হয়, সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখুন।
  6. যাদের কাছ থেকে ডোমেইন নিলেন তাদের থেকে একটি ক্যাশমেমো সরাসরি কিংবা মেইলে নিয়ে নিন। মেইলে নিলে মেইলটি অবশ্যই সেইভ রাখুন। (এটি নিলে উপকার আছে, অথবা না নিলেও তেমন ক্ষতি নেই)
  7. ডোমেইন হোষ্টিং কিনলে আপনাকে হয়তো শুধুমাত্র হোষ্টিং এর সিপ্যানেল দেয়া হবে অথচ আমরা পাব ডোমেইন এবং হোষ্টিং এর জন্য আলাদা আলাদা দুটি সিপ্যানেল।
  8. যার কাছ থেকে ডোমেইন নিবেন আগে জেনে নিন সে আপনাকে ডোমেইনের ফুল কন্টোল দিবে কিনা? যদি না দেয় তাহলে তার কাছ থেকে ডোমেইন নিবেন না।
  9. ডোমেইন সিপ্যানেল ছাড়া ডোমেইন ক্রয় করা এক ধরনের বোকামি। ধরুন, আপনি যার কাছ থেকে ডোমেইন কিনলেন কিছুদিন পরে সে ব্যবসা বন্ধ করে দিল বা তার সাথে আপনার কোন কিছু নিয়ে দ্বন্দ হল এখন আপনি কিভাবে আপনার সাইটটি সেইভ করবেন। ডোমেইন সিপ্যানেল ছাড়া কেউই আপনাকে সাহায্য পাবেন না।
  10. ভেরিফিকেশন সিষ্টেম থাকলে অবশ্যই ডোমেইন কেনার ১৫ দিনের মধ্যে মেইলের মাধ্যমে ভেরিফাই করে নিন। এরপর যদি সম্ভব হয় ডোমেইন এর প্রাইভেসি প্রোটেকশন এনাবল করে রাখুন। (যেটা বর্তমানে অধিকাংশ কোম্পানি 3-15 ডলার পর্যন্ত চার্জ করে থাকে, কিন্তু আমরা বর্তমানে সাভিসটি ফ্রি দিচ্ছি)
  11. ডোমেইন ও হোষ্টিং এর সিপ্যানেলে লগইন করে দেখুন আপনাকে যা যা দেওয়ার কথা ছিল সব ঠিকমত পেয়েছেন কিনা।
  12. ডোমেইন সহজে মনে রাখা  রাখা যায়, এমন হতে হবে,ডোমেইনকে .com প্রাধান্য দেয়া ভালো। ডোমেইন যথা সাধ্য ছোট রাখার চেষ্টা করতে হবে।
  13.  কোনো ট্রেডমার্ক ওয়েবসাইটের নামের সাথে মিলে না যায় সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে। যেমন: facebookbd, googleinfo, applebd ইত্যাদি ।
  14. ডোমেইন নেম কেমন হবে: মানুষ ডোমেইন মানেই ডট কমকে মনে করে থাকে। তাই সব সময় ডট কমকেই প্রাধান্য দিতে হবে। সহজে মনে রাখা যায়, সহজে বানান করা যায়, শ্রুতিমধুর হয়, উদ্ভদ কোনো ডোমেইন পছন্দ করে পাঠকে ভড়কে দেবার প্রয়োজন নেই। ডোমেইন যথা সাধ্য ছোট রাখার চেষ্টা করা। 
  15. ডোমেইন রেজিস্ট্রার পছন্দ করবেন যেভাবে: যেহেতু বাংলাদেশে পেপাল ও ক্রেডিট কার্ড এর সুবিধা নাই, সেহেতু বাংলাদেশি ডোমেইন রেজিস্ট্রার থেকেই কিনাটাই ভালো হবে, আবার সাপোর্টও ভালো পাওয়া যাবে। ডোমেইন কেনার আগে কয়েকটা রেজিস্ট্রারের তালিকা তৈরি করুন। তারপর তাদের সাথে যোগাযোগ করুন। 
  16. ডোমেইন কন্ট্রোল প্যানেল: আমাদের দেশে অনেক ডোমেইন প্রভাইডার আছেন যারা আপনাকে ডোমেইন কন্ট্রোল প্যানেল দিবেনা কিন্তু ডোমেইন এর ক্ষেত্রে ডোমেইন কন্ট্রোল প্যানেল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আপনি পরবর্তীতে ডোমেইন ট্রান্সফার করতে আপনার ডোমেইন কন্ট্রোল লাগবে। অনেকেই এর প্রয়োজনীয়তা মনে করেনা কিন্তু এর প্রয়োজনীয়তা অনেক।
সবাইকে জিজ্ঞাসা করুন ডোমেইনের ফুল কন্ট্রোল প্রদান করে কি না। ফুল কন্ট্রোল ছাড়া ডোমেইন কিনবেন না।
ডোমেইনের দামের ব্যাপারে চিন্তা করুন। অনেকেই ২০০-৪০০ টাকায় ডোমেইন অফার করে থাকে। এদের পরিহার করুন। কারন ICANN ডোমেইন নেম নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান। তাদের ফি ১৮ সেন্ট আর .com এবং .net verisign এর মাধ্যমে রেজি করতে হয়। তাদের প্রাইস ৫০০-৬০০ টাকার উপরে। তাই বাংলাদেশি রিসেলাররা কিভাবে এই টাকায় দিবে চিন্তা করুন। (তবে মাঝে মাঝে বিভিন্ন কোম্পানি অফার করে, তখন নিজে কিছুটা লচ করে হলেও কাষ্টোমার বৃদ্ধির জন্য কম দামে ডোমেইন দেয়, যাই হোক ডোমেইনের ফুল কন্টোল আপনাকে দিতে হবে)
কমদামে ডোমেইন কিনে পরে প্রতারিত হওয়ার সম্ভবনা বেশি। যেমন- রিনিউ করার সময় আপনার কাছ থেকে বেশি টাকা দাবী করা হতে পারে। অথবা সাইট জনপ্রিয় হলে ডোমেইনটি হাইজেক করা হতে পারে।

কোথা থেকে ডোমেইন কিনবেন ?

যেখান থেকেই ডোমেইন কিনেন না কেন কেনার আগে যে বিষয় গুল ভালো ভাবে জেনে নিবেন –
  • ডোমেইন রেজিস্ট্রশন ফি,
  • প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক আবস্থা,
  • কন্ট্রোল প্যানেল ,
  • প্রতিষ্ঠানটি ডোমেইন এর পুরো কন্ট্রোল আপনাকে দিবে কিনা?
  • পরবর্তীতে অন্য কোথাও ট্রান্সফার করে নেয়া যাবে কিনা?

উপরের বিষয় গুলো বিবেচনা করে যে কেউ ভালো কোন প্রতিষ্ঠান থেকে Domain ক্রয় করতে পারেন।
ডোমেইন কেনার জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় সাইট হচ্ছে godaddy.com, networksolution, namecheap
এখান থেকে কিনলে যদিও দাম একটু বেশি ( godaddy.com ) পরবে তাতেও ভালো কারন ডোমেইন এর পুরো কন্ট্রোল আপনার কাছেই থাকবে। তবে আমাদের দেশ থেকে ডোমেইন কেনার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাধা হচ্ছে পেপ্যাল ( Paypal ) । বর্তমানে আমাদের দেশে অনেক ডোমেইন রেজিস্টারার রয়েছে আপনি চাইলে তাদের কাছ থেকেও ডোমেইন কিনতে পারেন । তবে অনেকে কম দামে (৪০০-৫০০) ডোমেইন বিক্রয় করার কথা বলে , তাদের কাছ থেকে দূরে থাকুন কারন, বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় ডোমেইন এর পুরো কন্ট্রোল দেয়না । আবার রিনিউ করতে গেলে দিগুন বা তার চেয়েও বেশি টাকা দাবি করে।

ডোমেইন প্রভাইডার নির্বাচন:

আমাদের দেশে ভুয়া ডোমেইন হোস্টিং প্রভাইডার এর অভাব না থাকলেও ভালো প্রভাইডার এর অভাব আছে। তারপরেও বাংলাদেশে কিছু ডোমেইন হোস্টিং প্রভাইডার আছে যারা সম্পূর্ন Cpanel দিয়ে থাকে।
 

ডোমেইন এর দর দাম:

প্রোভাইডার ভেদে ডোমেইন এর দাম কম বেশি হয়ে থাকে। .Com/.Net/.Org ডোমেইন গুলো ৫00 টাকা থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে কিনতে পারা যায় ।
 

কোথায় থেকে কিনবেন:

দেশি বিদেশী অনেক প্রোভাইডারই ডোমেইন বিক্রি করে থাকে ।
godaddy.com এখানে .Com এর দাম পরবে $14.99/Y
name.com এখানে .Com এর দাম পরবে $10.99/Y
namecheap.com এখানে .Com এর দাম পরবে $10.69/Y

এখানে বর্তমান দাম উল্লেখ করা হয়েছে প্রোভাইডার যেকোনো মুহূর্তে দাম পরিবর্তন করার ক্ষমতা রাখে। বিদেশি প্রোভাইডার থেকে ডোমেইন কেনার আগে প্রোভাইডারটি ICANN (আইসিএএনএন) এর আওতাভুক্ত কিনা দেখে কিনবেন । বিশ্বের টপলেভেল ডোমেইন নিয়ন্ত্রক সংস্থা হল ICANN । মূলত ICANN থেকেই বিভিন্ন রেজিস্টার, সাব-রেজিস্টার এর মাধ্যমে ডোমেইন বণ্টন করা হয় । এবং শর্ত ভঙ্গ করলে যেকোনো সময় ডোমেইন বন্ধ করার ক্ষমতা রাখে ।

যদি  বিদেশী প্রোভাইডার থেকে ডোমেইন কিনতে চানঃ  

আপনি যদি বিদেশী প্রোভাইডার থেকে ডোমেইন ক্রয় করতে চান তাহলে আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।(যদি আপনার কাছে পাপ্যাল বা মাস্টারকার্ড না থাকে) । আমি আপনাদের কিনে দিতে পারব। তবে সে ক্ষেত্রে আপনি ডোমেইন এর মেইন মূল্য থেকে ১০০ টাকা বেশী আমাকে দিতে হবে।
আমার কোন রিসেলার শীপ নেই তাই আমি সরাসরি কিনে দিতে পারব। অতএব আপনি সম্পূর্ন কন্ট্রোল প্যানেল পাবেন।
যোগাযোগঃ
ই-মেইলঃ projukte.com@gmail.com

আরও পড়ুন

What is Domain (ডোমেইন কি?) আসুন জেনে নেয়া যাক [নবীনদের জন্য]


ডোমেইন কি? এটা কি কাজে লাগে, অবশ্যই এটা একদম নতুনদের জন্য, যারা জানেন না, তাদের জন্য। ডোমেইন ইংরেজি শব্দ যার বাংলা অর্থ স্থান। আপনি যদি একটি ওয়েবসাইট খুলতে চান তবে ইন্টারনেটে আপনাকে একটি স্থান তথা ডোমেইন কিনতে হবে। আপনার অফিসে যদি কেউ আসতে চায়, তবে তাকে এর ঠিকানা জানতে হবে । ওয়েবসাইটের ক্ষেত্রে এই ঠিকানাটা হচ্ছে তার নাম যাকে বলা হয় ডোমেইন নেম । এই ডোমেইন নেমই আপনার ওয়েবসাইটকে অনন্যভাবে আইডেন্টিফাই করবে । বিশ্বের সবাই ওয়েবসাইটটিকে চিনবে এবং একসেস করবে এ নাম ব্যবহার করে। যেমন ধরুন প্রত্যেক মানুষের একটি নাম আছে। এই নামেই তার পরিচয় বহন করে থাকে । ডোমেইন নেম অনেকটা মানুষের নামের মতই । ডোমেইন নেম এবং মানুষের নামের মদ্ধে পার্থক্য হচ্ছে মানুষের নাম ইউনিক নয় অর্থাৎ একটি নাম একাধিক মানুষের থাকে । কিন্তু ডোমেইন নেম সম্পূর্ণ ইউনিক অর্থাৎ একটি ডোমেইন পৃথিবীতে আর দ্বিতীয়টি নেই, ঠিক মোবাইল নাম্বারটাকে উধাহরন হিসেবে দেখতে পারেন, যেমন আপনার ফোন নাম্বারের সাথে আর কারো নাম্বারের হুবাহু মিল নেই । ডোমেইন হচ্ছে একটি ওয়েবসাইট এর ঠিকানা । যার মাধ্যমে, ব্যবহারকারী আপনার ওয়েবসাইটটি খুঁজে পাবে। যেমন উদাহরন হিসেবে দেখতে পারেন http://www.projukte.com একটি ডোমেইন নেম। আবার ডোমেইন নেম  এর পরিবর্তে আইপি এড্রেস ব্যবহার করেও আপনার ওয়েব সাইটে প্রেবেশ করতে পারবে বা যে কোন ওয়েব সাইট ভিজিট করা যায়। আইপি এড্রেস সাধারণত সংখ্যায় থাকে। যেমনঃ 10.196.001.002 একটি আইপি এড্রেস।
একটি ওয়েবসাইট এ বেশ কিছু অংশ থাকে । যেমন; http://www.projukte.com একটি ডোমেইন নেম। এখানে, “http://” অংশটুকু হচ্ছে প্রোটোকল, “www.” হচ্ছে  Hostname, “projukte” হচ্ছে প্রতিষ্ঠানের নাম / ডোমেইন নেম / 2nd Level Domain এবং “.com” অংশটুকু হচ্ছে ডোমেইন এক্সটেনশন । অর্থাৎ একটি সাইটের গঠনঃ প্রোটোকল://ওয়েব.ডোমেইন নেম.ডোমেইন এক্সটেনশন।
একটি ওয়েবসাইট তৈরির প্রথমেই যা আলোচনায় আসে তা হচ্ছে এই ডোমেইন কি হবে।
 

ডোমেইন কি তা সম্পর্কে  আরো একটু জেনে নেয়া যাকঃ

একটি ওয়েবসাইট এর সকল ফাইল একটি সার্ভার (কম্পিউটার) এ থাকে। প্রত্যেক সার্ভার এর একটি নির্দিষ্ট IP Address (Internet Protocol Address) থাকে। যার মাধ্যমে ঐ সার্ভারকে ইন্টারনেট এ খুঁজে পাওয়া যায়। যেমন আমাদের ওয়েবসাইট এর সার্ভার এর IP Address হতে পারেঃ 170.198.168.212 কিন্তু এভাবে তো আর সব ওয়েবসাইট এর IP Address মনে রাখা সম্ভব না। এই সমস্যা দূর করে দেয় Domain। একটা Domain এর জন্য IP Address সেট করা থাকে। ফলে সেই Domain লোড করলে ঐ ওয়েবসাইট লোড হয়। projukte.com এটা হচ্ছে আমাদের সাইট এর Domain । এটা লোড করলেই আমাদের ওয়েবসাইট লোড হবে। প্রত্যেকটি Domain প্রধানত ২টি অংশ নিয়ে গঠিত। একটি হচ্ছে Domain Name এবং আরেকটি Domain Suffix
projukte.com এই ডোমেইন এর projukte হচ্ছে Domain Name এবং .com হচ্ছে Domain Suffix
Domain Name এ সর্বনিম্ন ৩ টি অক্ষর থাকতে হবে আর সর্বোচ্চ ৬৩ টি অক্ষর থাকতে পারবে। শুধু ইংরেজি অক্ষর, ০-৯ পর্যন্ত সংখ্যা আর “-” (Hyphen) Domain Name এর ভিতর ব্যাবহার করা যাবে। 

ডোমেইনের বিভিন্ন ধরনঃ

Domain আবার কয়েক ধরনের হয়ে থাকে।

TLD = Top Level Domain । যেমনঃ .com, .org, .net, .info, .pw, .me ইত্যাদি। এগুলো হচ্ছে সর্বোচ্চ লেভেল এর Domain

gTLD = Generic Top Level Domain । Top Level Domain গুলোর মধ্যে যেগুলো কোন দেশের সাথে সংশ্লিষ্ট না তাদেরকে gTLD বলে। .com, .org, .net, .info ইত্যাদি কিছু সংখ্যক Generic Top Level Domain । আর .in, .pk ইত্যাদি Generic Top Level Domain নয়।

SLD = Sub Level Domain: Domain Name এর আগে কিছু থাকলে তাকে Sub Level Domain বলে। যেমন projukte.blogspot.com এখানে projukte. হচ্ছে Sub Level Domain । একটা Domain এ একাধিক Sub Level Domain থাকতে পারে।

ccTLD = Country Code Top Level Domain । বিভিন্ন দেশের নিজস্ব যেই ডোমেইনগুলো থাকে তারা হচ্ছে Country Code Top Level Domain । যেমন .bd(Bangladesh), .pk (Pakistan),  .us (America), .uk (United Kingdom), .in (India) ইত্যাদি।

বিশ্বের প্রথম Domain হচ্ছে symbolics.com । এটা Massachusetts computer company রেজিস্টার করেছিল Symbolics দ্বারা মার্চ ১৫, ১৯৮৫ সালে।
টপ লেভেল ডোমেইনঃ .com .net .org .info ইত্যাদি ডোমেইনকে টপ লেভেল ডোমেইন বলা হয়। (এইসব ডোমেইন কিনতে হয়)

ফ্রী ডোমেইনঃ .blog.com .xtgem.com .blogspot.com .tk, wordpress.com, weebly.com ইত্যাদি ডোমেইনকে ফ্রী ডোমেইন বলা হয়। (এইসব ডোমেইন ফ্রীতে পাওয়া যায়)
আরও পড়ুন

এখন প্রতি জিবি ইন্টারনেট মাত্র ২০ টাকায় ! মেয়াদ ১ বছর ! আবেদন

 

এখন প্রতি জিবি ৩জি ইন্টারনেট ডাটা পাচ্ছেন মাত্র ২০ টাকায় ! সাথে মেয়াদ ১ বছর ! এমন অবিশ্বাস্য শিরোনামে অনেকের চোখটি কপালে ওঠে যাওয়ারই কথা। আবার কেউ কেউ শিরোনাম

দেখে ভাবছেন এটা একটা গাঁজা খুরি গল্প। হ্যাঁ যাহাই বলুন, গ্রাহকরা সচেতন হলেই বাংলাদেশে ইন্টারনেট প্যাকেজ বিক্রির জন্য আমার শিরোনামটিই হবে ভবিষ্যতে প্রোভাইডারদের ইন্টারনেট বিক্রির একমাত্র বিজ্ঞাপন জিঞ্জেল ।

এই মুহুর্তে দেশে মোবাইল ইন্টারনেটের সবচেয়ে কম রেটের ১ জিবির প্যাকেজের সবনিম্ন দাম ২৭৫+ ১৫%ভ্যাট। আর ছোট প্যাকেজ গুলোর মধ্যে গ্রামীণের প্রতি ১০ কিলোবাইট ১ পয়সা হারে ১জিবির দাম ১০ হাজার ২শ ৪০ টাকা। না হিসাব করে নিয়মিত এই দামেই আমরা সবাই নেট ব্যবহার করছি।

আমাদের দেশের ইন্টারনেটের দাম বিশ্বের শীর্ষে থাকলে ও গতিতে আমরা সবার নিচে। কারণ ২০১৫ সালেও বাংলাদেশের জনগণ এখনও ১০ কেবিপিএস গতির ইন্টারনেট ব্যবহারে বাধ্য হচ্ছে ।

অথচ এখন আমাদের দেশে প্রতি জিবি নেটের উপযুক্ত দাম মাত্র ২০ টাকাই হওয়ার কথা ছিল।

কারণ ইন্টারনেট প্রোভাইডার কোম্পানী গুলো সরকারের কাছে থেকে মেগাবিট স্পীডের প্রতি জিবি ডাটা ক্রয় করছে গড়ে মাত্র ১৩.৫৮ টাকায়। আর তা কিলোবাইট স্পীডে গ্রাহকদের কাছে বিক্রি করছে গড়ে ৩৪৫ টাকার ও বেশি মূল্যে !

:lol: সত্যিই অবিশ্বাস্য এক ডিজিটাল ব্যবসা! :lol:

এই উচ্চহারে দাম দিয়েও আমার অত্যন্ত ধীর গতির (জিপিআরএস এবং ইডিজিই) ইন্টারনেট ব্যবহার করে প্রতিদিন আমাদের কোটি কোটি ঘন্টা মূল্যবান সময় নষ্ট করছি।

অন্য হিসাবে ইন্টারনেট প্রোভাইডার কোম্পানী গুলো সরকার থেকে বর্তমানে প্রতি মেগাবাইট/সেকেন্ড ব্যান্ডউইডথ কিনছে ৪ হাজার ৮০০ টাকায়(২০১৩)।কিন্তু ১৯৯৬ সালে এ ব্যান্ডউইডথের দাম ছিল ১ লাখ ২০ হাজার টাকা আর ২০০৪ সালে ছিল ৭২ হাজার টাকায়। ওই সময়ে ইন্টারনেটের গ্রাহক মূল্্য যা ছিল এখন ৪ হাজার ৮০০ টাকায় ও তাই আছে।

সরকার নেটের খরচকে গ্রাহকের হাতের নাগালে রাখতে ১৯৯৬,২০০৪,২০০৮,২০০৯,২০১১.২০১১.২০১৩ সালে দফায় দফায় ৭বার ব্যান্ডউইডথের দাম কমানো হলেও গ্রাহক পর্যায়ে ইন্টারনেটের দাম ১ বার ও কমেনি। বরং উল্টো নানা ধরনের প্যাকেজ সাজিয়ে গ্রাহকের পকেট কাটছে দেশের ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান গুলো।খরচ না কমিয়ে তারা কৌশলে নানা ধরনের প্যাকেজ কিংবা গতি বাড়ানোর মধ্যেই কার্যত সীমাবদ্ধ থেকেছে। আবার মাঝে মধ্যে গ্রাহকদের দাবিতে সুকৌশলে যেসব প্যাকেজ সাধারণত ব্যবহার করা হয় না সেগুলোর দাম কমিয়েছে অপারেটরগুলো।

প্রযুক্তি বিষয়ক ম্যাগাজিন কম্পিউটার জগতের এক পরিসংখ্যান থেকে জানা যায়, ইন্টারনেট প্রোভাইডার কোম্পানী গুলো মাত্র ৪ হাজার ৮শ টাকায় ব্যান্ডউইডথ ক্রয় করলেও তা যে দামে বিক্রি করছে সে সংখ্যাটি আমরা পড়তে গিয়ে কেউ সঠিক উচ্চারণ ও করতে পারিনা।

যেমন গ্রামীণফোন তাদের টুজি নেট ৪ হাজার ৮শ টাকায় কিনে তা বিক্রি করছে ৪৩,৩৫০X৬০,০০০ টাকায়। অন্যদিকে টেলিটক ৪ হাজার ৮শ টাকায় থ্রিজি কিনে তা বিক্রি করছে ২৪,০০০X২৮,০০০ টাকায়। এভাবে সবগুলো কোম্পানীই ৪ হাজার ৮শ টাকায় কিনে তা একই হারে সিন্ডিকেট আকারে বিক্রি করছে। মোবাইল অপারেটররা বিভিন্ন সময়ে স্বীকারও করেছে যে, তাদের নির্ধারিত ইন্টারনেট বিলের ব্যান্ডউইডথের খরচ ৪ শতাংশ। বাকিটা নাকি তাদের মেইনটেন্যান্স এবং অবকাঠামোতে ব্যয় হয়।

এদিকে দেশে ইন্টারনেটের স্পিড ভয়াবহ অবস্থায় রয়েছে। তার মধ্যেও সারা দেশের ৯০% গ্রাহক টুজি ইন্টারনেট ব্যবহার করলেও গ্রামীণফোন গত ৩০ মাচ থেকে সকল টুজি প্যাকেজ বন্ধ করে দিয়ে গ্রাহকদের কে বেশি দামের ৩জি ডাটা কিনতে বাধ্য করছে। তারা দেশের কোন আইনের তোয়াক্কা না করে এবং ৩জি কভারেজ না দিয়েই গ্রাহকদের থেকে ৩জির টাকা নিচ্ছে।

8-O সত্যিই আমার স্বাধীন দেশে আছি! :evil:

গ্রাহকদের অভিযোগ গ্রাহক পর্যায়ে ইন্টারনেটের দাম কমানো বা স্পীড বাড়ানোর জন্য সরকারি উদ্যোগ লক্ষ করা যায় না।
পরিসংখ্যান এবং অভিজ্ঞতা থেকে দেখা যায় আমাদের দেশের টাকা অনেকটা লুটপাট করেই নিয়ে যাচ্ছে বিদেশী এ কোম্পানী গুলো। তাদের কে সহযোগিতা করছে দেশে যারা প্রযুক্তির এ বিভাগটি দেখছে। আমার মতো গ্রাহকদের অভিযোগ আমাদের দেশের কিছু লোকই মূলত আমাদের কে শোষণ করতে বিদেশী এ কোম্পানীগুলো কে সাহায্য করছে।

আমাদের দেশে ইন্টারনেটের ইতিহাস:
বাংলাদেশে প্রথম অফ-লাইন ইন্টারনেটের ব্যবহার শুরু হয় ১৯৯৩ সালে। ১৯৯৬ সালের ৬ জুন বাংলাদেশে সবার জন্য ইন্টারনেট ব্যবহার উন্মুক্ত করে দেয়া হয়। সে বছরই বাংলাদেশ প্রথম ভিস্যাটের মাধ্যমে ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত হয়। তখন প্রতি এমবিপিএস ইন্টারনেটের জন্য খরচ হতো ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। কিন্তু তখন সরকারিভাবে বিটিসিএল কোনো ব্যান্ডউইডথ বিক্রি করত না।

জিপিআরএস টেকনোলজি দিয়ে ২০০৪ সালে মোবাইল ইন্টারনেট চালু হয়। ২০০৫-এর শেষের দিকে বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত হয়। ২০০৬ সালে জিপিআরএসের তুলনায় কিছুটা গতি সম্পন্ন EDGE সার্ভিস চালু করে গ্রামীনফোন।২০০৮ সালে ওয়াইম্যাক্স সেবা পরিচালনার জন্য লাইসেন্স পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে অজের প্রথম ওয়াইম্যাক্স সেবা কিউবি প্যাকেজ চালু করে ২২ নভেম্বর ২০০৯ সালে।

মোট ইন্টারনেট ব্যবহারকারী:

গত ১ এপ্রিল ২০১৫ তারিখে দৈনিক কালেরকন্ঠ মোবাইল কম্পানি এবং বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)র তথ্যের ভিত্তিতে জানায়, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাস শেষে দেশে ইন্টারনেট গ্রাহকের সংখ্যা ৪ কোটি ৩৪ লাখ ১৯ হাজার। এর মধ্যে প্রায় সবাই মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারী। ওয়াইম্যাক্স ব্যবহারকারী গ্রাহকের সংখ্যা ২ লাখ ১৫ হাজার। আর আইএসপি ও পিএসটিএনের মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১২ লাখ ৪৫ হাজার। একই সময়ে ফেব্রুয়ারিতে মোবাইল ফোনের গ্রাহকের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ কোটি ২৬ লাখ ৫৭ হাজার।

আমাদের কথা:
দেশে এখন ইন্টারনেটভিত্তিক কনটেন্টের (অডিও, ভিডিও, লাইভ খবর-মিডিয়া) ব্যাপক চাহিদা তৈরি হয়েছে। ফলে ইন্টারনেট চাহিদাও বেড়েছে বহুগুণ। দুঃখের বিষয়, মোবাইল অপারেটরগুলো নিজেদের ইচ্ছে মতো প্যাকেজ তৈরি করে গ্রাহকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। অথচ এসব ব্যাপারে বিটিআরসি নীরব ভূমিকা পালন করছে। সরকার ব্যান্ডউইডথের দাম কমিয়েই দায়িত্ব শেষ করেছে। দেশের আইসিটি শিল্পের দ্রম্নত বিকাশ এবং দক্ষ কর্মী গড়ে তুলতে ব্রডব্যান্ড ও মোবাইল ইন্টারনেট সেবার খরচ সাশ্রয়ী, সেবাবান্ধব এবং সহজলভ্য করতে হবে। বিপরীতে ইন্টারনেটের গতি বাড়াতে হবে।

আমাদের দাবী:
দফায় দফায় ইন্টারনেট ব্যান্ডইউথের দাম কমলেও গ্রাহক পর্যায়ে কোন প্রভাব নেই। তাই দাবী আদায়ের জন্য সরকার কে এগিয়ে আসতে হবে এবং ব্যবহারকারী কে জাগতে হবে। এখন প্রতি জিবি নেটের দাম মাত্র ২০ টাকা করাসহ নিম্নোক্ত দাবী পূরণ করতে হবে।

দাবীসমূহঃ
১. অতি শীঘ্রই ১ জিবি ডাটার দাম ২০ টাকা নির্ধারণ করতে হবে।
২.৩জি কভারেজ না দিয়ে ২জি এলাকায় ৩জির বিল নেওয়া যাবে না।
৩. ডাটার মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও অব্যবহিত ডাটা পরের ডাটা প্যাকেজ চালু করার
সাথে সাথে যোগ করে দিতে হবে ।
৪. ১ জিবির মেয়াদ ১ বছর করতে হবে।
৫. ফেয়ার ইউস পলিসি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করতে হবে।
৬.নুন্যতম গতি নির্ধারণ করে করে পূর্ণ গতির ডাটা দিতে হবে ।
৭. আনলিমিটেড নামে কোন বিজ্ঞাপন দেওয়া যাবে না।

৮. ফ্রি নামের কোন ডাটা অপার করা যাবে না। ( কারণ প্রতিটি ফ্রি অপার মানে নতুন প্রতারণা )

এ প্রতিবেদনটি তৈরির সময় নিম্নোক্ত ওয়েব সাইটসহ বেশ কয়েকটি ওয়েব সাইটের সাহায্য নেওয়া হয়েছে।

http://www.btrc.gov.bd/

http://www.btcl.gov.bd/

http://www.teletalk.com.bd/

http://grameenphone.com/…/produc…/internet/internet-packages

http://www.banglalinkgsm.com/…/data_based…/banglalink_intern

et

http://www.robi.com.bd/bangla/index.php/page/view/412

http://www.bd.airtel.com/services.php…

http://www.citycell.com/index.php/zoom_ultra/plan

http://www.banglalionwimax.com/index.php/ products-a-services/prepaid-plans

http://www.qubee.com.bd/prepay

আরও পড়ুন