টেকনোলজি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
টেকনোলজি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

গুগল ওয়েবমাষ্টার টুলে ব্লগস্পট সাইট সাবমিট করুন খুব সহজে

 
 
আপনার সাইটের সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের জন্য যতগুলো গুরুত্বপূর্ণ কাজ রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে সাইটকে গুগল ওয়েবমাস্টার টুলে সাবমিট করা। আমাদের অনেক পাঠক আমাদের কাছ থেকে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের নানা টিপস চেয়ে থাকেন এবং কিভাবে সাইটের ভিজিটর বাড়ানো যায় তা জানতে চান। গুগল ওয়েবমাস্টার টুল এক্ষেত্রে অনেক সাহায্য করতে পারে। আজকের পোষ্টে আমরা আপনাকে দেখাবো কিভাবে আপনার সাইটকে গুগল ওয়েবমাস্টার টুলে সাবমিট করবেন।
 

গুগল ওয়েবমাস্টার টুল কী?

গুগল ওয়েবমাস্টার টুল হচ্ছে গুগল কর্তৃক প্রদত্ত কতিপয় টুল বা পদ্ধতির সমষ্টি যা ওয়েবসাইট পাবলিশারদেরকে এমন কিছু সুযোগ করে দেয় যার মাধ্যমে তারা তাদের সাইট সার্চ ইঞ্জিনে কেমন দেখাবে তা নির্ধারণ করতে পারেন। এটি আপনাকে রিপোর্ট ও তথ্য প্রদান করবে যার মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন যে আপনার সাইটের বিভিন্ন পৃষ্ঠাগুলো সার্চ রেজাল্টে কেমন দেখাচ্ছে। আপনার সাইটের বিভিন্ন উপাদানে কি পরিমাণ ক্লিক পড়ছে এবং ইম্প্রেশন কেমন তা আপনি দেখতে পারবেন। এই ধরণের তথ্য আপনাকে আপনার সাইটের পুরাতন আর্টিকেল উন্নয়নে, নতুন আর্টিকেল লেখায় এবং বিভিন্ন স্ট্যাটেজি তৈরিতে সহায়তা করবে। গুগল ওয়েবমাস্টার টুলের মাধ্যমে আপনি আরো যা পারবেন তা হলো XML ফাইল সাবমিট করা, নির্দিষ্ট URL বাতিল করা এবং গুগলকে আপনার সাইট সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা দেওয়া। এটির মাধ্যমে আপনি আরো জানতে পারবেন যে আপনার সাইটের কোন নির্দিষ্ট অংশ ক্রল কিংবা ইনডেক্স করতে গুগলের সমস্যা হচ্ছে কিনা।

Google webmaster tools dashboard

গুগল ওয়েবমাস্টার টুলে ব্লগস্পট সাইট সাবমুটের পদ্ধতি

সর্বপ্রথম গুগল ওয়েবমাস্টার টুলের সাইটে যান এবং আপনার গুগল অ্যাকাউন্ট দিয়ে সাইন ইন করুন। সাইন ইন করার পর, আপনার সাইটের URL টি লিখুন এবং add new site বোতামে ক্লিক করুন।
তারপর, পরবর্তী স্ক্রিনের যান এবং সেখানে আপনাকে আপনার সাইট ভেরিফাই করতে বলা হবে। ভেরিফাইয়ের জন্য আপনাকে হয় গুগল প্রদত্ত HTML Tag মেটা ট্যাগ সংগ্রহ করে সেটি আপনার সাইটে যুক্ত করতে হবে। আমরা দ্বিতীয় পদ্ধতিটি ব্যবহার করবো।
 
 

এবার আপনি আপনার ব্লগার ড্যাসবোর্ডে যান। তারপর Template > Edit HTML এ ক্লিক করে <body> ট্যাগের পরের গুগল কর্তৃক ভেরিফিক্যাশন কোডটি বসান। নিচে ভেরিফিক্যাশন কোডের একটি গঠন দিলাম।
<meta name="google-site-verification" content="VerificationKeyCode" />

আরেকটি কথা, আপনি যে ই-মেইল দিয়ে ব্লগ একাউন্ট খুলেছেন, সেই ইমেইল যদি গুগল ওয়েবমাষ্টার টুলে ব্যবহার করেন তাহলে ভেরিফিক্যাশন এর দরকার হবে না। সেটি অটোম্যাটিক ভেরিফাই হয়ে যাবে।
 
একবার ভেরিফফাই হয়ে গেলে আপনার প্রয়োজন হবে XML সাইটম্যাপ সাবমিট করার। এ বিষয়ে পরবর্তীতে আরেকটি পোষ্ট করা হবে। আর আপনি যদি নিজে নিজে পারেন তাহলে সাবমিট করে নিবেন।
 
ব্যস! এভাবে খুব সহজেই আপনি ওয়েবমাস্টার টুলে আপনার সাইট সাবমিট করতে পারবেন। আশা করি, আপনাদের আমাদের লেখাটি ভালো লেগেছে। ভালো লাগলে লেখাটি শেয়ার করতে ভুলবেন না। তাছাড়া, আমাদের সাইটের তথ্য নিয়মিত পেতে আজই সাবস্ক্রাইব করুন।
 
সৌজন্যেঃ বিএন.এমএসডিজাইনবিডি
আরও পড়ুন

(Google) গুগলে আপনার ব্লগ পোস্ট ইনডেক্স করুন ২ মিনিটে



আসসালামু অলাইকুম , আল্লাহ্‌ এর নাম নিয়ে আজকের এই পোস্ট শুরু করছি । আগেই বলে নিই আমি SEO এসইও এর 'অ' বুঝিনা তবে বিভিন্ন ইংরেজি ব্লগের দোয়ায় কিছু কিছু কাজ গুলো যানি আর যেগুল যানি সেগুল আপনাদের সাথে শেয়ার করার চেস্ট করি । সেই রকম আজকেঅ মজার একটি এসইও SEO টিপস নিয়ে এলাম । আমারা সবাই জানি একটা ব্লগ বা ওয়েবসাইট এর জন্য এসইও কতটা দরকারি । এক কোথাই আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটে এসইও ভালো না থাকলে আপনার ব্লগিং জীবন বৃথা। কারন ভিজিটর পেতে আপনাকে এসইও অবশ্যই করতে হবে । কিন্তু বেশির ভাগ নতুন ব্লগার বন্ধুরা আমার মতোই নতুন তবে কিছু কিছু কাজ আছে যেগুল নতুন হলেও করা যাই । তার মধ্যে অন্যতম সার্চ ইঞ্জিনে পোস্ট ইনডেক্স করানো । আপনি যদি সার্চ ইঞ্জিনে পোস্ট ঠিক ভাবে ইনডেক্স না করান তাহলে ভাল এসইও করেও কোন লাভ হবে না । তাই আজকে আমি আপনাদের দেখাবো কিভাবে জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন গুগল ( Google ) এ আপনার ব্লগ পোস্ট ইনডেক্স বা সাবমিট করবেন মাত্র ২ মিনিটে । বিষয়টি শুনে অবাক মনে হলেও এটা সম্ভব এবং সেটা আপনি কিছু ক্ষণের মধেই টের পাবেন । তাহলে কথা না বাড়িয়ে চলুন শুরু করা যাক । এই কাজ করার জন্য আপনি আগেই নিচের পোস্ট গুলো দেখে আসতে পারেন ।
 

 
 
☞ প্রথমে এখানে ক্লিক করে Google Webmasters Tools এ যান । তারপর আপনার অ্যাকাউন্ট লগইন করুন অবশ্যই আপনাকে আগে আপনার সাইট সাবমিট করতে হবে যদি আপনার সাইট সাবমিট করা না থাকে তাহলে Add a Site এ ক্লিক করে নিন । যদিও ব্লগার ব্যবহার কারিদের এটা না করেলেও চলে গুগলে এটা অটো সাবমিট হয়ে যাই । এবার নিচের স্টেপ গুলো দেখুন । 
১/ ডান সাইড এর Manage site ট্যাবে ক্লিক করুন তারপর Add or remove users এ ক্লিক করুন। নিচের চিত্রে দেখুনঃ 
২/ এবার যে পেজ আসবে সেখান থেকে বাম পাশে Crawl ট্যাবে ক্লিক করে Fetch as Google  বাটনে এ ক্লিক করুন । নিচের চিত্রে দেখুনঃ
৩/ এবার ফাকা বক্সে আপনার পোস্ট URL বসান শুধু URL আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইট নাম বাদে যেমনঃ আপনার পোস্ট লিঙ্ক যদি হয় → http://asobondhu.blogspot.in/2013/09/google-sitemap.html তাহলে সেখানে বসান শুধু →  2013/09/google-sitemap.html  তারপর Desktop সিলেক্ট করে Fetch বাটনে ক্লিক করুন । নিচের চিত্রে দেখুনঃ
৪/ এবার দেখুন নিচে আপনার লিঙ্ক ইনডেক্স হবার জন্য রেডি এখুন সেখান থেকে Submit to Index এ ক্লিক করুন । নিচের চিত্রে দেখুনঃ 
৫/ Submit to Index এ বাটনে ক্লিক করলেই একটি পপআপ বক্স আসবে সেখান থেকে Crawl only this URL এ ক্লিক করে Go তে ক্লিক করুন । নিচের চিত্রে দেখুনঃ
☞ ব্যাস কাজ শেষ এবার ২ মনিট অপেক্ষা করুন এবং সেই পোস্ট এর টাইটেল টি গুগল সার্চ দিয়ে দেখুন। ইন্সাআল্লাহ্‌ আপনি কাজটি করতে এবং পোস্টটি বুঝতে সফল হয়েছেন তাহলে আপনাকে আর ২৪ ঘন্টা অপেক্ষা করে থাকতে হবে না গুগল এর উপর । যাদের এখুনও বিশ্বাস হছে না নিচের ফটো দেখুন । 
☞ আজকের এই পোস্টটি আপনার উপকারে আসলে অবশ্যই বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন এবং তাদের কেউ দেখার সুযোগ করে দেবেন । এই ধরনের পোস্ট এর জন্য সব সময় আমাদের সাথেই থাকুন । ভালো থাকবেন সুস্থ থাকুন । আল্লাহ্‌ হাফেজ । 

সংগ্রহকৃতঃ এসো বন্ধু
আরও পড়ুন

(Google Adsense) গুগল অ্যাডসেন্স এপ্রুভাল নিয়ে জানা - অজানা ৪০ টা প্রশ্ন এবং উত্তরগুলো দেখে নিন


আসসালামু আলাইকুম। আশা করি সবাই ভালো আছেন। আজকে আপনাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ন্য পোষ্ট শেয়ার করছি। আমরা যারা ব্লগিং করি তাদের কাছে হয়ত Google Adsense শব্দটি খুব একটা অপরিচিত নয়। কম বেশী সবাই Google Adsense এর সাথে পরিচিত আছি। অনেকের কাছে Google Adsense হতে পারে সোনার হরিণ আবার কারও কাছে দুধ-ভাত।

যারা বাংলায় ব্লগিং করেন তাদের কাছে Google Adsense সোনার হরিণ ই থেকে যায়। আর যারা নিয়ম অনুযায়ী ব্লগিং করেন তাদের কাছে তো দুধ-ভাত হবেই। আজকে আপনাদের সাথে শেয়ার করছি Google Adsense Approval নিয়ে কিছু প্রশ্ন এবং সাথে উত্তরগুলো। যারা Google Adsense Apply করবেন ভাবছেন তাদের হয়ত এই প্রশ্নের উত্তর গুলো অনেক কাজে আসতে পারে।

আপনি হয়ত জানেন যে, আপনি চাইলেই Google Adsense পাবেন না। Google Adsense পাওয়ার কিছু পূর্বশর্ত আছে। এগুলো মেনে নিয়মানুযায়ী যদি আপনি Adsense এর জন্য Apply করেন তাহলে আপনি Google Adsense পেতে বাধ্য। তাহলে চলুন, Google Adsense Approval নিয়ে জানা-অজানা কিছু প্রশ্নের উত্তর জেনে আসি... 

প্রশ্নঃ ১ Google Adsense Non Hosted Account Approve পাওয়ার জন্য নিম্নে আমার কয়েকটি প্রশ্ন ?


  1. Application করার পূর্বে নুন্যতম কতগুলো আর্টিকেল থাকতে হয়?
  2. About Us, Contact, Privacy & Policy বাদে আরো কি কি পেইজ করতে হয় বা থাকলে ভালো হয়?
  3. Google Adwords দিয়ে Google এ ব্যানার বিজ্ঞাপনের মাধ্যেমে কি Google Non Hosted Account এর সুবিধা নেওয়া যেতে পারে কিনা?অথবা Adsense Approve নেওয়ার জন্য কেমন priority থাকতে পারে?
  4. Content Image যদি Google Search এর মাধ্যেমে নিয়ে ব্যবহার করা হয় তাহকে কি Approve পাওয়া সম্ভব? নাকি একদম Unique Image and Unique Article Publish করতে হবে?
     
  5. কত Word এর আর্টিকেল থাকলে ভালো হবে?
  6. Google Adsense এ Apply করার আগে কি কি Check List তৈরি করা দরকার বলে আপনি মনে করেন?
উত্তরঃ 

  1. উত্তরঃ ৩০-৪০-৫০ টা হলে ভালো হয়। বেশি হলে আরও ভালো।
  2. উত্তরঃ About Us, Contact, Privacy & Policy &DMCAতো থাকবেই। পাশাপাশি খেয়াল রাখবেন কোন ক্যাটাগরি যেন ফাকা না থাকে। প্রতিটা ক্যাটাগরি তে মিনিমাম ৫-৭ টা কনটেন্ট রাখবেন। তাহলে বেশি ভালো হয়।
  3. উত্তরঃ Google Adwords দিয়ে যেকোনো বিজ্ঞাপন দিলেও অ্যাডসেন্স এপ্রুভাল এর জন্য কোন এক্সট্রা সুবিধা নাই। গুগলের এমন কোন নীতিমালা নেই।
  4. উত্তরঃ Unique Image হলে সবচেয়ে ব্যাটার । তবে গুগল থেকে কখনোই কপিরাইট ইমেজ নিবেন না, কোন ইমেজ নিলেও টাইটেল এবং সাইজ পরিবর্তন করে দিবেন । কোন সমস্যা হবে না।
  5. উত্তরঃ প্রতিটা আর্টিকেল ৪০০-৫০০ ওয়ার্ড হলে ভালো হয়। বেশি হলে তো আরও ভালো ।
  6. উত্তরঃ Google Adsense এ Apply করার আগে অবশ্যই কিছু Check List তৈরি করা দরকার ।
যেমনঃ
  • সাইটের সকল পোস্ট ৮০-৯০ % % ইউনিক কিনা এবং গুগল পলিসির ভিতরে আছে কিনা চেক করে নিতে হবে।
  • সাইটের সকল গুরুত্বপূর্ণ পেজ ঠিক আছে কিনা চেক করতে হবে।
  • সাইটের পোস্ট ৪০-৫০ টা ঠিকমতো ইনডেক্স হচ্ছে কিনা, ওয়েবমাস্টার টুলস এ দেখতে হবে
    সাইটের ডিজাইন ইউজার এবং এসইও ফ্রেন্ডলি কিনা সেটা চেক করতে হবে।
  • সাদা সিদে ন্যাভিগেশন এবং লেয়াউট এ সব দরকারি জিনিস রাখতে হবে।
  • সার্চ ইঞ্জিনে কিছু Organic Keywords এ টপে Rank করালে এক্সট্রা পাইরটি পাওয়া যাবে। (যদিও Content is BIG King)
  • এইসব কিছু ঠিকমতো চেক করে ৫০-৬০ দিন বসয়ের একটা সাইট দিয়ে এপ্লাই করলে ১০০ % শিওর প্রথম চান্সেই এপ্রুভ পাওয়া সম্ভব। 
প্রশ্নঃ২ - Non Hosted Adsense এর জন্য Alexa rank কোন প্রভাব বিস্তার করে ? 
উত্তরঃ না।
প্রশ্নঃ৩ - Article গুলো যদি Spin করা হয় এবং গুগলের কপি স্কেপ প্রিমিয়াম পাশ হয় তাহলে কি Adsense দিবে ? 
উত্তরঃ এইভাবে অনেকেই চেষ্টা করেছে, কেউ পায় নাই। ইউনিক আর্টিকেল হলেই সহজে পাওয়া যায়। আর্টিকেল Spin করার চিন্তা থাকলে তো হবে না ।
প্রশ্নঃ৪- ডোমেইন নেম ৬ শব্দের হলে সমস্যা হবে কিনা?
উত্তরঃ কোন সমস্যা হবে না। তবে, আমি সাজেস্ট করবো Keywords Target করে ডোমেইন নাম পছন্দ করুন । সেটাই বেশি ভালো হবে।

প্রশ্নঃ৫- unique article এর সাথে ইমেজ গুগল থেকে নিয়ে পাবলিশ করলে কোন সমস্যা হবে কিনা?
উত্তরঃ গুগল থেকে কারো কপিরাইট সিল দেওয়া / প্রোটেকশন করা ইমেজ নিবেন না। আর গুগলের ইমেজ নিলেও ইমেজের টাইটেল এবং সাইজ পরিবর্তন করে দিবেন। আশা করি কোন সমস্যা হবে না।
প্রশ্নঃ৬ - সাইটে ৪০-৫০ টা ইউনিক আর্টিকেল আছে কিন্তু ভিজিটর খুবই কম এমন সাইট দিয়ে কি অ্যাডসেন্স পাওয়া যাবে?
উত্তরঃ গুগল চায় ভালো মানের কনটেন্ট। ভিজিটর কোন ফ্যাক্ট না Top Level Domain, About, Contact, Privacy & DMCA পেজ ঠিক থাকলে approval পেয়ে যাবেন।

প্রশ্নঃ৭ -  Bangladesh থেকে non hosted এর জন্য কোন niche approve হয় বেশি ? Any Suggestion to start a new blog for quick approval. I mean which niche get approval easily?
উত্তরঃ ভালো প্রশ্ন ।আমি বেশির ভাগ সময়ে Smartphone review, Education Result & Technology সাইট দিয়ে বেশি approve পেয়েছি ।

প্রশ্নঃ৮- আমি কি google adsense এর জন্য Sub domain ব্যবহার করতে পারি ?
উত্তরঃ Yes .. but আগে টপ লেভেল ডোমেইন দিয়ে Approved করাতে হবে, তারপর সাব ডোমেইন এ অ্যাডসেন্স ব্যাবহার করতে পারবেন ।

প্রশ্নঃ৯- Troll সাইট এ কি adsense aprove হবে ? content কেমন লাগবে?
উত্তরঃ এই টপিক যদি গুগলের নীতিমালা ভঙ্গ না করে, তবে ভালো মানের ৪০-৫০ টা পোস্ট দিয়ে Approve করাতে পারবেন। আমি সাজেস্ট করবো, কোন প্রোডাক্ট বেইজ এবং ইনফরমেটিভ সাইট বানান। Example : Smartphone review, Technology g tips, health tips এইসব বিসয়ে তাড়াতাড়ি Approval পাবেন।

প্রশ্নঃ১০ - website এর article গুল মিনিমাম কত ওয়ার্ড এর হতে হয়?
উত্তরঃ ৪০০-৫০০ ওয়ার্ড হলে ভালো হয়। নয়লে insufficient Content দেখাতে পারে।

প্রশ্নঃ১১- ব্লগ ছাড়া অন্য অন্য কোন সাইট এর জন্য Approval সম্ভব কি? যেমন কোশ্চেন এন্সার, হাউ টু ইটিসি।
উত্তরঃ এইরকম সাইটের অথারিটি ভালো মানের হলে + Alexa Rank ১ লাখের নিচে থাকলে হবে। মিনিমাম ৫-৭ মাস SEO করতে হবে । তাহলে পাওয়ার চান্স আছে।

প্রশ্নঃ১২-
  1. নিস হিসেবে “blogspot tutorial” কেমন? এটা দিয়ে পাবো ?
  2. blogspot.com এ আমি টপ ডোমেইন এড করলে ভালো হবে? নাকি হোস্টিং কিনে ডোমেইন এড করবো?
উত্তরঃ
  1. web Design, SEO, Graphic টিউটরিয়াল or technology টিপস সাইট দিয়ে খুব সহজেই অ্যাডসেন্স এপ্রুভ হয়।
  2. হোস্টিং নিয়ে ওয়ার্ডপ্রেস এ সাইট বানালে ভালো হবে। এসইও তে বেশি সুবিধা পাবেন।

প্রশ্নঃ১৩ - আমার সাইট এর সব visitor যদি facebook থেকে আসে তাহলে কি adsense দিবে?
উত্তরঃ গুগল সব আইন মেনে সাইট বানালে ভিজিটরস না থাকলেও অ্যাডসেন্স দিবে । ফেসবুকের ভিজিটরের এর চেয়ে গুগল সার্চ ইঞ্জিন থেকে আসা ভিজিটরের Demand বেশি। কাজেই এসইও তে বেশি জোর দিতে হবে।

প্রশ্নঃ১৪ - Hosted and non-hosted adsense এর মাঝে পার্থক্য কি ?
উত্তরঃ Hosted Adsense & Non Hosted Adsense এর মদ্ধে মেইন পার্থক্য হচ্ছে Hosted শুধুমাত্র গুগলের সাইট YouTube & Blogger এ ইউজ করা যায়। তবে শুনেছি ২০১৪ সালের পরে পাওয়া Hosted Adsense নাকি ব্লগারে অ্যাড দেখাতে ঝামেলা করে। আর নিজস্ব সাইটে Non Hosted Adsense ম্যাক্সিমাম 500 Website এ ব্যাবহার করা যায়। রেভিনিউ শেয়ারিং সেম ৬৮ %.

প্রশ্নঃ১৫ - আপনি ভালো মানের আর্টিকেলের উপর খুব জোর দিচ্ছেন । আচ্ছা ভাই আর্টিকেলের মান ভালো না খারাপ হল এটা চেক করার কি কোন সাইট বা সফটওয়ার আছে ? একটা ভালো কুয়ালিটি সম্পর্ন আর্টিকেলের কি কি গুন থাকতে হয় ?
উত্তরঃ এখানে সকল জনপ্রিয় টুলসগুলো আছে। আপনি এগুলো দিয়ে চেক করতে পারবেন। পেইড টুলসগুলো আরও ভালো রেজাল্ট দেখায়।

প্রশ্নঃ১৬-
  1. আমার একটা ব্লগ আছে ব্লগার এ domain এখনো set করা হয়নি কিছুদিন এর মধ্যে domain set করব। এখন পর্যন্ত ৫০ টা পোস্ট করা হয়েছে। সব পোস্ট ৮০% unique. ব্লগ এ আমার প্রতিদিন ১০০+ visitor আসে। domain set করার পর কতদিন পর adsense apply করলে approve পাইতে পারি।
  2.  ভালমানের content বলতে আমি কোনটাকে বুজব ভাই? একটু বলবেন।
  3. আমার content এর যদি কোনো problem থাকে and আমি যদি সেইটা একবার apply করার পর বুজতে পারি and যদি সেই content গুলো delete করে দিয়ে আবার fresh কনটেন্ট পোস্ট করে আবার apply করি তাহলে কি problem হবে approve পাইতে?

উত্তরঃ
  1. কোথায় ডোমেইন সেট করবেন ? ব্লগারে ? আমি বলবো না। ওয়ার্ডপ্রেস এ নিজস্ব সাইট বানান। WP Best SEO Friendly তবে, ব্লগারে ডোমেইন সেট করলে এক মাস পরে এপ্লাই করে দেখুন। কনটেন্ট ভালো মানের হলে এপ্রুভ পেয়ে যাবেন।
     
  2. কপি পেস্ট মুক্ত ফ্রেশ কনটেন্ট ।অবশ্যই গ্রামার, সেন্টেন্স এবং কতো % ইউনিক সেটা মাথায় রাখতে হবে, আশা করি বুঝতে পেরেছেন।
     
  3. ডিলেট করলে বিপদে পড়বেন। 404 not Found আসবে আর সাইটের Rank হারাবেন। কনটেন্ট আপডেট কিংবা রি – রাইট করলে ভালো হবে।

প্রশ্নঃ১৭-
1। ওয়েবসাইটের বয়স যদি ৩মাস পার হয়ে থাকে এবং ২৫০ টা পোষ্টের মধ্যে ১০০ টা পোষ্ট ৫০% ইউনিকের নিচে থাকে তাহলে কি অ্যাডসেন্স পাওয়া যাবে ????
2। অ্যাডসেন্স এপ্রুপ পেতে কোনটা বেশি জরুরি। ‘‘ইউনিক পোস্ট ’’ না কি ‘‘ভিজিটর’’ ?
উত্তরঃ এইরকম সাইট দিয়ে পাওয়ার চান্স কম। ৮০ % + ইউনিক আর্টিকেল লাগবে। তাহলে পেয়ে যাবেন। অ্যাডসেন্স পাওয়ার জন্য ইউনিক পোস্ট জরুরী।

প্রশ্নঃ১৮- Non Hosted Google Adsense বলতে কি বুঝায়। যদি একটু বিস্তারিত বলেন প্লিজ।
উত্তরঃ নিজস্ব সাইট দিয়ে এপ্রুভাল পাওয়া গুগল অ্যাডসেন্স একাউন্ট হচ্ছে Non Hosted Google Adsense । এই এক একাউন্ট দিয়ে আপনি ৫০০ ওয়েবসাইটে অ্যাড ব্যাবহার করতে পারবেন।

প্রশ্নঃ১৯- blogspot.com থেকে ব্লগিং করলে কি Adsense পাব?
উত্তরঃ ২০১১ – ২০১২ সালে দিতো , এখন শুনি নাই যে কেউ ব্লগস্পট দিয়ে পাচ্ছে। Non Hosted পেতে চাইলে নিজস্ব ডোমেইন লাগবে । ফ্রী কোন সাব ডোমেইন দিয়ে না।

প্রশ্নঃ২০- hosted account কি non hosted account এ convert করা যায় ?
উত্তরঃ হ্যাঁ করা যায়, গুগল পলিসি তে সাইট বানিয়ে অ্যাডসেন্স একাউন্ট এ সাইট অ্যাড করতে হবে। গুগল রিভিউ করবে, সব ঠিক থাকলে .Com এ ADD SHOW করবে। আর কোন সমস্যা থাকলে .Com এ অ্যাড দেখাবে না। তবে এর চেয়ে Non Hosted Account সহজেই পাওয়া যায়।

প্রশ্নঃ২১- Privacy & DMCA পেজের কনটেন্ট দিবো কি ভাবে? করো দেখে রিরাইট করবো না ইউনিক লিখবো। না কি কোন টুল দিয়ে জেনারেট করে নিবো?
উত্তরঃ Privacy টুলস দিয়ে জেনারেট করবেন আর DMCA পেজ সবার একই রকম থাকে । ২-৪ লাইন গুরিয়ে ফিরিয়ে নিজের মতো করে দেন। এখনো কোন দিন সমস্যা হয় নাই। আশা করি আপনার বেলাতেও হবে না।এখান থেকে আপনার সাইটের নাম এবং ইমেইল দিয়ে ফ্রী তেই জেনারেট করতে পারবেন . কোন সমস্যা নাই >> এখান থেকে

প্রশ্নঃ২২- Free Domain Hosting সাইট যেমন .tk এবং ooowebhost থেকে সাইট তৈরি করে কি এ্যাডসেন্স পাওয়া যাবে?
উত্তরঃ না

প্রশ্নঃ২৩- গুরুত্ব পূর্ন প্রশ্ন
  1. শুনেছি উন্নত দেশ যেমনঃ USA, UK, Spain প্রভৃতি দেশ থেকে আবেদন করলেই নাকি adsense account এবং code তৎক্ষণাৎ পাওয়া যায়। ব্যাপারটি কতখানি সত্য?
     
  2. blogger এবং নিজস্ব website ( .com domain ) দিয়ে আবেদন করে পাওয়া account গুলোর মধ্যে advantage & disadvantage কি?
     
  3. উন্নত দেশ থেকে পাওয়া account এবং আমাদের দেশ থেকে পাওয়া account গুলোর মধ্যকার advantage / disadvantage কি?
     
  4. Developed country-র address verified account-এ আমাদের দেশের কাউকে admin হিসেবে add করা যায় কিনা? গেলে সে কি ঐ account-এর পরিপূর্ণ নিয়ন্ত্রক হতে পারবে? payee name & bank address আমাদের দেশের admin-এর দিলে সমস্যা আছে কি? আর দিতে পারুক বা নাপারুক, আমাদের দেশ থেকে পরিচালিত হওয়ার জন্য কোনরকম banned হওয়ার সম্ভবনা আছেকিনা?
উত্তরঃ
  1. সত্য । তবে এটা করলে গুগলের নীতিমালা ভঙ্গ করবেন। কারন, আপনার দেশ বাংলাদেশ। ভেরিফাইড করা এবং টাকা তোলা নিয়ে ঝামেলায় পড়বেন। অথবা অইদেশের কাউকে দিয়ে সেম নাম ঠিকানায় ব্যাংক একাউন্ট করতে হবে।
     
  2. কোন advantage & disadvantage নাই। তবে ওয়ার্ডপ্রেস সাইটে এসইও সুবিধা বেশি পাবেন, যেইসব ব্লগারে পাবেন না।
     
  3. advantage & disadvantage নাই। সকল সুবিধা সমান।
     
  4. এই পোস্টে আমার প্রথম উত্তর দেখুন… আমি এটা সাজেস্ট করি না।

প্রশ্নঃ২৪- ভাই আমি মোবাইল রিভিউ নিয়া একটা সাইট বানাতে চাই। কিন্তু কথা হল। মোবাইল এর ফিচার তো এক এখানে ইউনিক কি লিখবো। আর মোবাইল এর ফটো গুলো যদি কোম্পানির সাইট থেকে নেই। তাইলে কি গুগল কপি রাইট এ ফেলবে, আর Adsence কি approve পাবো ১ মাসের মধ্যে । আমি on page & off page seo সবই পারি।
–যদি সব ঠিক করে ১ মাস পর apply করি তাইলে adsence পাওয়ার সম্ভাবনা কেমন। আর রিভিয় গুলো কেমনে লিখলে ভাল হবে। একটু কিলিয়ার করলে ভাল হতো
–visitor 100-200 per day হলে কি approve হবে ?
উত্তরঃ GSMARENA.Com এই মানের পোস্ট লিখবেন। আর কনটেন্ট এ মোবাইল স্পেসিফিকেশন লিখতে গেলেও উপরে নিচে ২-৪ লাইন লেখা যায়, কাজেই চিন্তার কিছুই নাই। আসতে আস্তেই ভালো লিখতে পারবেন। আর সাইট ১ মাসের উদ্দেশে না বানিয়ে, ১ বছরের উদ্দেশে বানান। নইলে সফল হতে পারবেন না।
—ছবি নেয়ার ক্ষেত্রে কোম্পানির কপিরাইট থাকলে সমস্যা হবে। কারো ইমেজ নিলেও টাইটেল এবং সাইজ পরিবর্তন করে নিবেন।
–একটা সাইট দিয়ে আমি ১৩ দিনেও এপ্রুভাল পেয়েছি। সবই কনটেন্ট এবং এসইও এর জোরে, তবে নরমালি ৪০-৫০ দিন সময় নিলে ভালো হয় ।
— কনটেন্ট ভালো হলে ভিজিটর ছাড়াও এপ্রুভ হবে। তবে, দিনে ১০০০ এর নিচে ভিজিটরস থাকলে, ভালো মানের আয় করতে পারবেন না।

প্রশ্নঃ২৫ - Adsense কিভাবে পাব? আর Adsense কিভাবে ধরে রাখব আর বেশি বেশি Income কিভাবে করব ?
উত্তরঃ গুগলের নিয়ম অনুযায়ী সাইট বানিয়ে অ্যাডসেন্স এপ্লাই করলে পাওয়া যায়। আর অ্যাডসেন্স ধরে রাখার জন্য গুগলের কোন টার্মস ভঙ্গ করা যাবে না। আর বেশি বেশি ইনকামের জন্য বেশি বেশি ভিজিটরস লাগবে। তার জন্য এসইও জানতে হবে।

প্রশ্নঃ২৬- 100% unique article এর সাথে ইমেজ গুগল থেকে নিয়ে পাবলিশ করলে কোন সমস্যা হবে কিনা?
উত্তরঃ কপিরাইট মুক্ত ইমেজ থাকলে কোন সমস্যা হবে না। ইমজের টাইটেল এবং সাইজ পরিবর্তন করে নিবেন।

প্রশ্নঃ২৭- ১ টা Top LVL Domain নিয়ে যদি ওইটাকে ব্লুগার এ Hosting করি এবং ওইটায় ১৫ দিনে ১৫ টা ৩০০ Word এর article smallseotools.com/plagiarism-checker দিয়ে 100% ইউনিক করে ১৫ দিনে পোস্ট করি তার পর Apply করি তো পাব কিনা ? আর ওইটা তো NoN hosted Adsense হবে তাই না ?? Worepress free Hosting করে কি apply করা যাবে? approve হবে ??
উত্তরঃ আপনার সকল প্রশ্নের উত্তর এপ্রুভ হবে না। Site Dose Not Complete with Google Policy এই সমস্যা দেখাবে। 

প্রশ্নঃ২৮-
  1. কিভাবে Hosted Account এবং Non- Hosted Account পাব?
  2. Hosted Account এবং Non- Hosted Account এর সুবিধা এবং অসুবিধা কি?
উত্তরঃ 
  1. Youtube দিয়ে Hosted Account এবং আপনার নিজস্ব ওয়েবসাইট দিয়ে Non- Hosted Account পাবেন।
  2. Hosted Adsense & Non Hosted Adsense এর মদ্ধে মেইন পার্থক্য হচ্ছে… Hosted শুধুমাত্র গুগলের সাইট Youtube & Blogger এ ইউজ করা যায়। তবে শুনেছি ২০১৪ সালের পরে পাওয়া Hosted Adsense নাকি ব্লগারে অ্যাড দেখাতে ঝামেলা করে। আর নিজস্ব সাইটে Non Hosted Adsense ম্যাক্সিমাম 500 Website এ ব্যাবহার করা যায়। রেভিনিউ শেয়ারিং সেম ৬৮ % .

 প্রশ্নঃ২৯- ভাই Adsense পেতে সাইটের বয়স কত লাগবে ? কতগুলো পোষ্ট আর কি রকম এসইও করা লাগবে ?
উত্তরঃ গুগল এর মেইন শর্ত হচ্ছে হাই কুয়ালিটি ভালো মানের কনটেন্ট এবং ১ টা টপ লেভেল ডোমেইন দিয়ে সাইট বানাতে হবে। তারপর সাইটে ৪০-৫০ দিন সময় নিয়ে ৪০-৫০ টা ইউনিক আর্টিকেল পাবলিশ করতে হবে। সাইটে About, Privacy, Contact us & DMCA পেজ গুলো ঠিক মতো পাবলিশ করতে হবে। সাইটের সকল পোস্ট Google Webmaster এ সাবমিট করতে হবে। তারপর হালকা পাতলা সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করুন। তারপর সাইটের বসয় ৫০-৬০ দিন হলে গুগল অ্যাডসেন্স এপ্লাই করুন। অ্যাডসেন্স এপ্রুভ হতে সময় লাগবে না।

প্রশ্নঃ৩০- আমার সাইট এ 15/20 টার মতো আর্টিকেল আছে। About, Privacy, Contact us & DMCA পেজ আছে। সাইট এর বয়স প্রায় ১ বছর। এখন কি আমি Adsense এর জন্য Apply করতে পারি বা আমার আর কি কি করতে হবে Adsense পাওয়ার জন্য?
উত্তরঃ Apply যেকোনো সাইট দিয়ে করা যাবে। কিন্তু সব সাইট দিয়েই Approve হবে না। ভালো হয় গুগল পলিসি মেনে সাইটে আরও ৩০ টা পোস্ট দেন। তারপরে Apply করেন।

প্রশ্নঃ৩১ -Google Adsense এর টাকা কিভাবে উঠানো যায় ?
উত্তরঃ ২০১৩ সালের ডিসেম্বরের আগে পর্যন্ত আমরা বাংলাদেশের সবাই চেক দিয়ে টাকা ক্যাশ করাতাম। মাস খানিক সময় লাগতো টাকা ক্যাশ করতে। এখন EFT আছে । সরাসরি ৪-৫ দিনেই টাকা ব্যাংক এ চলে আসে, আমি ডাচ বাংলা ব্যাংক দিয়ে তুলি। অনেকেই ব্র্যাক দিয়েও তুলে, কোন সমস্যা নাই।


প্রশ্নঃ৩২ -ভাইয়া .com Domain নিয়ে বাংলায় ব্লগিং করলে Adsense পাওয়া যাবে?
উত্তরঃ না

প্রশ্নঃ৩৩ - হোস্টেড অ্যাডসেন্সে অ্যাকাউন্টে পেমেন্ট মেথড হিসেবে DBBL Mobile Banking কিভাবে অ্যাড করা যায়? সাধারণত ব্যাংক অ্যাকাউন্ট অ্যাড করার জন্য ধারাবাহিকভাবে কি করতে হয়?
উত্তরঃ হোস্টেড অ্যাডসেন্সে অ্যাকাউন্টে পেমেন্ট মেথড হিসেবে DBBL Mobile Banking হিসাবে অ্যাড করা যায়।  Adsense & Domain Parking গ্রুপের কয়েক জন DBBL Mobile Banking দিয়ে টাকা তুলে। আমি কখনো ইউজ করি নাই। সম্ভবত Account No. এর জায়গায় Mobile Banking নাম্বার দিতে হয়। গ্রুপে একসময় পোস্ট দিয়েন। যারা ইউজ করে, তারা আরও বিস্তারিত বলতে পারবে। 

প্রশ্নঃ৩৪ Hubpage দিয়ে যে অ্যাডসেন্স পাওয়া যায় ‍সেটার সাথে নিজের website থেকে পাওয়া অ্যাডসেন্স এর পার্থক্য কতখানি ?
উত্তরঃ নিজস্ব সাইট দিয়ে পাওয়া আর ৩য় পক্ষ দিয়ে পাওয়া এক জিনিস নয়। ওরা অবশ্যই আপনার একাউন্টের কিছু % কমিশন কেটে রাখবে।

প্রশ্নঃ৩৫ -অ্যাডসেন্স approve পাওয়ার পর যদি আমি আমার সাইট এর banner বা অন্য কোথাও সাইট এর related niche এর cpa বা অন্য কোন product এর promotion করি, তাহলে কি adsense এর কোন problem হবে ?
উত্তরঃ promotion/cpa তে যদি গুগল পলিসি ভঙ্গ করে এমন কিছু থাকে, তাহলে ব্যাবহার না করাই ভালো। তবে Amazon & Adsense একই সাইটে ব্যাবহার করা যায়। কোন সমস্যা হয় না।

প্রশ্নঃ৩৬ - আমি আমার সাইট এর কোন sub domain create করে কি adsense ব্যবহার করতে পারি ?
উত্তরঃ টপ লেভেল ডোমেইন দিয়ে নেওয়া রানিং অ্যাডসেন্স থাকলে পারবেন। সাব ডোমেইন দিয়ে নিউ অ্যাডসেন্স পাওয়া যাবে না।
প্রশ্নঃ৩৭-
১। আমার youtube adsense account আছে । non hosted site এর জন্য কি আমি adsense apply করতে পারব ? এক্ষেত্রে কি কোন problem এ পরতে হবে ?
২। Youtube and website এর জন্য ২ টার earning কি একসাথে দেখাবে ।। না আলাদা আলাদা দেখাবে ?
উত্তরঃ
উত্তর ১. হ্যাঁ পারবেন। ঝামেলাযুক্ত কাজ। তবে এর চেয়ে নতুন নেওয়া অনেক সহজ ।
উত্তর২. সব রিপোর্ট আলাদা দেখতে পারবেন।

প্রশ্নঃ৩৮ -এখন বর্তমান ইউটিউব অ্যাডসেন্স কি ব্লগার এ ব্যবহার করা সম্ভব?
যদি যায় তাহলে বর্তমানে কিভাবে করব?
উত্তরঃ আমি ২০১২ এর পরে আর কোন ব্লগস্পট এ অ্যাড ব্যাবহার করি নাই। ২০১৪ সালের আগের একাউন্টে হতো । এখন অনেকেই বলে Blogspot এ অ্যাড সো করে না। ভালো মানের ৪০-৫০ টা পোস্ট দিয়ে চেষ্টা করে দেখুন। হতেও পারে আবার নাও হতে পারে।

প্রশ্ন ৩৯.- আমার যদি ইতোমধ্যেই একটি Adsense একাউন্ট থেকে থাকে, সেক্ষেত্রে আমার ছোট ভাই আরেকটি একাউন্ট এপ্লাই করতে পারবে যদি বাড়ির এড্রেস একি হয়?
উত্তরঃ আলাদা সাইট, আলাদা কম্পিউটার আইপি, আলাদা ঠিকানা এবং আলাদা Payee Name দিয়ে সহজেই এপ্রুভ পাবেন। আশা করি কোন ঝামেলা হবে না।

প্রশ্নঃ৪০- বাংলা ওয়েবসাইট হলে কি adscence apply করা যাবে ?
উত্তরঃ এপ্লাই করা যাবে কিন্তু এপ্রুভ হবে না। কারন, গুগল এখনো বাংলা পারমিশন দেয় নাই। অন্য সাইট দিয়ে এপ্রুভ করিয়ে বাংলা সাইটে ইউজ করা যায়।

শেষ কথাঃ

এই প্রশ্নোত্তরগুলো আপনার কাছে যদি ভালো লাগে এবং দরকারি মনে হয়। তাহলে অবশ্যই এটা শেয়ার করুন। আরও কোন প্রশ্ন কিংবা পরামর্শ থাকলে, অবশ্যই ১ টা মন্তব্য করুন। 

সৌজন্যেঃ Rubelsbs


আরও পড়ুন

(Facebook Like) ফেসবুক স্ট্যাটাস ও ছবিতে হাজার হাজার লাইক নিন



ফেসবুক একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এটা আমরা সবাই জানি। এখানে সবাই সবার মতামত, ছবি, ভিডিও ইত্যাদি শেয়ার করে থাকে। এই শেয়ার করা মতামত, ছবি, ভিডিও তে যদি লাইক/কমেন্ট কেউ না করে তাহলে খুব খারাপ লাগে তাইনা বন্ধু? মন খারাপ করার কিছু নেই আজ আমি আপনাদের দেখাব কিভাবে আপনার শেয়ার করা স্ট্যাটাস, ছবি, ভিডিও তে লাইক/কমেন্ট বেশি বেশি পাবেন। তবে মূল কথায় যাবার আগে আমি কিছু কথা বলে নিতে চাই।

আজকাল অনেকেই আছেন যারা নিজের প্রোফাইল পিক এ হাজার হাজার লাইক কমেন্ট নিয়ে নিজেকে ফেমাস ব্যক্তি হিসেবে দাবি করেন। আবার তারা মনে করে থাকেন যে বেশি লাইক কমেন্ট পেলে মেয়ে/ছেলেদের পটাতে পারবে। আসলে সত্যি কথা বলতে মেয়ে/ছেলেদের পটাতে গেলে বেশি লাইক বা কমেন্ট এর প্রয়োজন পরে না প্রয়োজন হয় ভালো মনের। আর সেই ভালো মন এর মানুষ হতে হলে হতে হবে একজন আদর্শবান মানুষ। 

আবার অনেকেই অটো লাইক ব্যবহার করে থাকেন যেটা অ্যাকাউন্ট এর ক্ষতির কারন। আপনারা যদি অটো লাইক ব্যবহার করেন তাহলে আপনাদের সাধের অ্যাকাউন্ট ব্লক করে দিবে ফেসবুক এর চাচা,মামারা। সুতরাং অটো লাইক নিতে গিয়ে আপনার অ্যাকাউন্ট যেন না চলে যায় সেই দিকে লক্ষ রাখবেন। অনেকেই আবার অন্যর স্ট্যাটাস এ লাইক কমেন্ট বেশি বেশি করে থাকেন আপনিও লাইক কমেন্ট পাবার আশায় এটা বেশি না করাই ভাল কারন সব কিছুর একটা লিমিট থাকে। লিমিট অতিক্রম করলেই অ্যাকাউন্ট ব্লক হয়ে যেতে পারে। 

যাইহক! অনেক বেশি কথা বলে ফেলছি এখন কাজের কথায় আসা যাক। আজ আমি আপনাদের যে উপায়ে লাইক, কমেন্ট, শেয়ার নেয়া শিখাব এটা ১০০% কাজ করবে এবং অ্যাকাউন্ট ব্লক হবার সম্ভাবনা নাই বললেই চলে। এখানে মূলত কাজটা হচ্ছে লাইক, ফলো, শেয়ার, পোষ্ট লাইক বিনিময়। আপনি অন্যর পোষ্ট এ লাইক দিলে আপনার কিছু পয়েন্ট অর্জন হবে। তারপর আপনি আবার সেই অর্জন করা পরেন্ট খরচ করে আপনার পোষ্ট এ লাইক, শেয়ার এবং অ্যাকাউন্ট এ ফলো নিতে পরবেন। তাই এই উপয়ায়ে অ্যাকাউন্ট ব্লক হবার সম্ভাবনা থাকে না।

আমরা যেই সাইট থেকে লাইক সংগ্রহ করব তার নাম হচ্ছে Addmefast.com । এই সাইটটা অন্য সাইট থেকে অনেক ভালো এখানে আপনি অনেক সহজেই পয়েন্ট অর্জন করতে পারবেন। এবং দ্রুত লাইক, শেয়ার, ফলো সংগ্রহ করতে পারবেন আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে।

রেজিষ্ট্রেশন করার নিয়মঃ

প্রথমে আপনাকে এখানে ক্লিক করে রেজিষ্ট্রেশন করে নিতে হবে।তারপর আপনার ই-মেইল এ একটা মেইল যাবে । সেখান থেকে অ্যাকাউন্ট কনর্ফাম করুন। বেস আপনার Addmefast এ অ্যাকাউন্ট তৈরী হয়ে গেল। আমি ধরে নিলাম আপনার অ্যাকাউন্ট তৈরী হয়ে গেছে তাই আমি সামনের দিকে যাচ্ছি।

পয়েন্ট অর্জন করার নিয়মঃ 

আপনি আপনার Addmefast এ লগিন করুন । লগিন করার পর নিচের মত একটা পেইজ আসবে।



তারপর Facebook likes এ ক্লিক করলে নিচের মত একটা পেইজ আসবে সেখান থেকে Like বাটন এ ক্লিক করতে হবে।
 

Like  বাটনে ক্লিক করার পর একটা পপআপ উইন্ডো আসবে। সেখানে আপনি পেইজটা লাইক দিয়ে পপআপ উইন্ডোটা close করে দিতে হবে ।

বিঃদ্রঃ- এই কাজটা আপনাকে একটু দ্রুত করতে হবে তানাহলে উইন্ডোটা নিজে নিজেই close হয়ে যাবে তখন আপনি পয়েন্ট পাবেন না। আপনাকে অবশ্যই ফেসবুক অ্যাকাউন্ট দিয়ে লগিন করা থাকতে হবে।

এই ভাবে আপনি পয়েন্ট অর্জন করতে পারবেন যত খুশি। আপনি page like, follow, facebook post like, post share, twitter follow, etc. করেও পয়েন্ট অর্জন করতে পারবেন। আরো অনেক উপায়ে পয়েন্ট অর্জন করতে পারবেন আপনি লগিন করলেই বুঝতে পারবেন।



থামুন মিয়া ভাই এখানেই শেষ নয় আরো রয়েছে আপনার জন্য। আপনি প্রতিদিন ২০০ পয়েন্ট বোনাস পাবেন। তার জন্য আপনাকে প্রতিদিন ৫০ টা লাইক দিতে হবে। তারপর আপনি Daily Bonus এ ক্লিক করলে নিচের মত পেইজ আসবে। সেখান থেকে Get Daily Bonus এ ক্লিক করলে আপনি পেয়ে যাবেন ২০০ পয়েন্ট বোনাস। কি মজার বেপার না?

বিঃদ্রঃ- আপনি প্রতিদিন একবার বোনাস সংগ্রহ করতে পারবেন।


লাইক নেয়ার পক্রিয়াঃ

লাইক অর্জন করা শেষ এবার আপনার লাইক নেবার পালা। তবে আর দেরি কেন? চলুন লাইক নেয়া যাক আপনার প্রফাইল পিচ বা স্ট্যাটাসে। প্রথমে Add site/Page এ ক্লিক করুন ।


Add site/Page এ ক্লিক করার পর নিচের মত পেইজ আসবে। সেখানে আপনার কিছু কাজ করতে হবে তবে ভয় পাবার কিছু নেই আমিতো আছি সব সহজ ভাবে করে দেখাব।

Type: এখানে আপনি যেটা তে লাইক নিতে চান সেই অপসন বেছে নিন। আপনি যদি ফেসবুক পেইজ এ লাইক নিতে চান তাহলে পরিবর্তন করার প্রয়োজন নেই।

Countries: এখান থেকে আপনি কোন দেশের লাইক চান আপনি তা সিলেক্ট করে দিতে পারবেন। আপনি যদি বাংলাদেশের লাইক চান সেক্ষেত্রে আপনাকে বাংলাদেশ সিলেক্ট করে দিতে হবে। আর যদি সিলেক্ট না করেন তাহলে সব Country থেকে লাইক পাবেন এতে আপনারি ভালো আপনি খুব দ্রুত লাইক পাবেন।

Title: এখানে আপনাকে আপনার ছবি বা স্ট্যাটাস এর টাইটেল লিখতে হবে। কিছু একটা দিয়ে দিন কাজ হয়ে যাবে।

Page URL: আপনি যে পেইজ/পোষ্ট/ছবি ইত্যাদি যেটাতে লাইক নিতে চান সেটার লিঙ্ক বসান।

Total Clicks: আপনি কতটা লাইক চান সেটা নির্ধারন করে দিতে পারবেন। সে জন্য আপনাকে ON অপসনে ক্লিক করে On করে নিতে হবে।

Daily Clicks: আপনি প্রতিদিন কতটা লাইক চান সেটাও নির্ধারন করে দিতে পারবেন। সে জন্য আপনাকে ON অপসনে ক্লিক করে On করে নিতে হবে।

CPC: প্রতিটা লাইক এর জন্য আপনি কত পয়েন্ট করে দিতে চান মানে কত খরচ করতে চান সেটা দিন। যেমন আপনি যদি প্রতি লাইক এর জন্য ৫ পয়েন্ট দিতে চান তাহলে ৫ লিখুন।

তারপর Save Changes এ ক্লিক করে বেরিয়ে আসুন বেস আপনার কাজ শেষ।

বিঃদ্রঃ- আপনি যে স্ট্যাটাস বা ছবিতে লাইক/শেয়ার নিতে চান সেই স্ট্যাটাস/ছবিতে অবশ্যই Privacy Public থাকতে হবে।

কি বন্ধুরা কত সহজেই কাজটা করে ফেলেছি তাইনা? এখন আপনার Save করা পেইজ বা পোষ্ট এ লাইক চলে যাবে। আপনাকে আর কিছু করতে হবে না। এভাবে আপনি যদি আর কোন পেইজ Save করতে চান একই নিয়মে Save করে নিবেন।


শেষ কথাঃ
আপনারা নিজেদের রিয়েল ফেসবুক অ্যাকাউন্ট দিয়ে পয়েন্ট অর্জন করবেন না কারন লাইক ব্লক করে দিতে পারে। অন্য কোন অ্যাকাউন্ট দিয়ে পয়েন্ট অর্জন করে রিয়েল অ্যাকাউন্ট এ লাইক নিবেন তাতে আপনাদেরই ভালো হবে। আজ এ পর্যন্তই সামনে অন্য কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা করব।
আরও পড়ুন

( Voice Changer ) কন্ঠ পরিবর্তন করে ফোন করার কিছু Android App

Projukte.com
বর্তমান বিশ্বে সফটওয়্যারের চাহিদা সব চেয়ে বেশি, কারন সফটওয়্যার অনেক কাজ কিছু সময়ের ভিতরে করে ফেলতে পারে। তাই প্রয়োজনের অনেকেই অনেক এন্ড্রয়েড অ্যাপ ব্যবহার করে থাকেন। আজ আমি আপনাদের সাথে দারুণ কিছু কন্ঠ পরিবর্তন করার এন্ড্রয়েড অ্যাপ শেয়ার করব। আমরা অনেকেই বন্ধুদের সাথে মজা করতে চাই এবং মজা করেও থাকি। এই অ্যাপটি আপনাকে সাহায্য করবে একটু বেশি মজা করার। অনেকে চান আপনার বন্ধুকে মেয়ে কন্ঠে ফোন করে একটু দুষ্টমি করবেন আর এই সাহায্য করবে আপনাকে এই ভয়েজ চেঞ্জার অ্যাপ। এই অ্যাপটি একটি মজার অ্যাপ। এই অ্যাপের সাহায্যে আপনি আপনার বন্ধুকে কন্ঠ পরিবর্তন করে ফোন করে চমকে দিতে পারবেন। তাহলে আপনার হয়তো বুঝতে আর বাকি নেই এটা কি ধরণের অ্যাপ। নিচে কিছু কন্ঠ পরিবর্তন করার এন্ড্রয়েড অ্যাপ এর ডাউউনলোড লিঙ্ক শেয়ার করা হল। আপনাদের প্রয়োজন হলে সংগ্রহ করতে পারেন। 

   • App Name: Call Voice Changer প্লে-ষ্টোর থেকে ডাউনলো




   • App Name: Simple Voice Changer প্লে-ষ্টোর থেকে ডাউনলো

  


 • App Name: Voice Changer with Effects প্লে-ষ্টোর থেকে ডাউনলো
 



আমার এই লেখাটি সর্বপ্রথম প্রিয় ডট কম -এ প্রকাশিত হয়
 
আরও পড়ুন